নিবেদন

বাংলা ব্লগে লিখা শুরু করেছি সে বছর চারেক হবে। সেই ২০০৬ সালে একদিন শরীর খারাপ নিয়ে ঘরে বসে থেকে এক ওয়েব সাইট থেকে আরেক ওয়েবসাইটে যেতে যেতে সোজা সামহোয়ারইনে। সামহোয়ারইনে সেদিন ঘুরতে ঘুরতে একটা পোস্ট চোখে পড়ল ইসলাম আর নারী নিয়ে, যেই পোস্টের অজ্ঞতা দেখে মাথা ঘুরে গেল। কখনও ভাবি নি সিরিয়াসলি ব্লগ করব, কিন্তু আমার তৃতীয় kakপোস্টটা হয়ে গেল ইসলাম আর নারী নিয়ে, সেই ব্লগারের জবাব দিয়ে। ব্যাস, সামহোয়ারইনের সর্ব কনিষ্ঠ, সবচেয়ে নতুন ব্লগার থেকে ধা করে সেদিন স্পটলাইটে পড়ে গেলাম। সাম্প্রতিক মন্তব্যে বার বার আমার নাম। ব্যাপারটা আমাকে খুব বিব্রত করেছিল, (কিছুটা ভালোও লেগেছিল,) কারণ আমি সারাজীবনে স্পটলাইটে অভ্যস্ত ছিলাম না। সেদিন একটা ব্যাপার বুঝেছিলাম, আমাদের বাংলা ভাষায় ইন্টারনেটে ইসলাম নিয়ে লেখার মানুষ খুব কম, কিন্তু পড়ার মানুষের অভাব নেই। 
সামহোয়ারইন ব্লগিং শুরু করার পরে সময় কেটেছে চার বছর। চারটা বছর। এই চার বছরে অনেক ব্লগিং গ্রুপ শুরু হয়েছে। সচলায়তন, আমারব্লগ, এগুলো প্রথম দিকের। একটু খুঁজলে পেয়ে যাবেন ছোটখাট অসংখ্য ব্লগিং গ্রুপ। এদের প্রত্যেকটাই কিছু 'এক ধরণের' মানুষের আবেগ, বিশ্বাস, চেতনাকে ঘিরে গড়ে তোলা। কিন্তু ইন্টারনেটে এখন পর্যন্ত যত ব্লগিং গ্রুপ আছে, তার কোনটাতেই ইসলাম যেই আবেগ, বিশ্বাস আর চেতনা শিখায়, সেগুলো বড় না। বিসর্গে সেটা হবে, সেই আশাতেই বিসর্গে লেখা শুরু করব ভেবেছিলাম। একদল মানুষ, যারা আল্লাহকে ভালোবাসে, তারা আল্লাহকে নিয়ে কথা বলবে।
আমি সেই ধরণের লেখার সুযোগ গত চার বছরে খুব কম পেয়েছি। যখনই লিখতে শুরু করেছি রাজনৈতিক তকমা এসে গায়ে লেগেছে। আমি যেহেতু আগাগোড়া অরাজনৈতিক মানুষ, তাই এই তকমায় খুব বিব্রত হয়ে গিয়েছিলাম। এখন মাঝে মাঝে পিছনে ফিরে তাকালে খুব আফসোস হয়, যেই সময়গুলো নষ্ট করেছি ফালতু পোস্ট করে, ফালতু কথার রিপ্লাই দিয়ে, ফালতু রিবাটালে, সেই সময়গুলোতে যদি শুধু ডিফেন্সে না কাটিয়ে ক্রিয়েটিভ লেখা লিখতাম, তাহলে নিজের উপকার তো হতোই, আর একজন মানুষেরও কি উপকার হতো না? 
কয়েকদিন ধরে তাই ভাবছিলাম, আবার লিখা শুরু করব, কিন্তু লেখাগুলো এমন হবে যেখান থেকে মানুষ একটা ভালো কথাও অন্তত: নিয়ে যেতে পারবে। 
বিসর্গে একটিভ হতে চাওয়ার পিছনে একটা বড় কারণ হলো, আমাকে যদি ডিফেন্সিভ লেখায় সময় নষ্ট করতে না হয়, তাহলে আমি লিখতে পারব আমার বিশ্বাস নিয়ে, আমার ভালোবাসা নিয়ে। কিন্তু আজকে বিসর্গে এসে প্রথম পাতা দেখে মন খারাপ হয়ে গেল। b প্রথম পাতার নয়টা পোস্টের পাঁচটা পোস্টই রাজনীতি নিয়ে। রাজনীতি নিয়ে লেখাগুলো বড় বেশি রাজনৈতিক, মানুষ যে ধরণের লেখা 'প্রপাগান্ডায়' ব্যবহার করবে, সেই ধরণের লেখা, চিন্তা ভাবনা করে, পরিবেশ পরিস্থিতির এনালিটিকেল লেখা না। 'আজকের বহুল পঠিত লেখা'র লিস্ট দেখে আরেক বার মন খারাপ হলো। শতকরা ৮০% পোস্টই সেখানে রাজনৈতিক। খুব ইচ্ছা করলো দুইটা উপদেশ বাণী দিতে: ১. রাজনীতি ইসলামের খুবই ইম্পরট্যান্ট একটা অংশ, কিন্তু রাজনীতি ইসলামের থেকে বড় না।Islam২. ইমাম গাজালীর কথা:- 'ইসলাম হচ্ছে কিছু মূলনীতির প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্য, jdকিছু মানুষের প্রতি না'।
আমরা রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক নেতা, সেসব নিয়ে এত বেশি মেতে যাই, যে ইসলামটাই তখন ব্যাকগ্রাউন্ডে চলে যায়। অথচ, চিন্তা করেন, সারা জীবন রাজাকার বলে গালি খেয়ে মরলেন, গাধার মত কলম যুদ্ধ করে গেলেন, কিন্তু মারা যাওয়ার পর আল্লাহও আপনাকে বললো, 'তোমার আনুগত্য, ভালোবাসা আমার প্রতি ছিল না, ছিল একটা রাজনৈতিক দল এবং এর কিছু মানুষের প্রতি'। আল্লাহ এটা আসলেই বলতে পারেন কিনা সেটা বুঝবেন, যদি হিসাব করেন, আমরা দিনে যতবার রাজনীতির কথা ভাবি, আল্লাহর কথা হয়তো ততবার ভাবি না। এটা কিন্তু ভয়ংকর একটা ব্যাপার, কারণ শয়তান মানুষকে যেসমস্ত উপায়ে ভুলিয়ে রাখে তার একটা হচ্ছে, অপেক্ষাকৃত 'কম ভালো' কিছুতে মাতিয়ে রাখা। আমি নিজের ব্যাপারে অন্তত: বলতে পারি, যখন প্রতিদিনই ইন্টারনেটে এসে দেখতাম, আস্তমেয়ে/সন্ধ্যাবাতিকে নিয়ে নতুন কিছু হচ্ছে, তখন যুক্তিখন্ডনের কথাগুলো এত বেশি ভাবতাম, যতবেশি হয়তো আল্লাহর কথাও ভাবতাম না। 
বিসর্গে আমি একটা পরিবেশ চাই, যেখানে আসলে মাথায় রক্ত উঠবে না, আবেগে বুক থর থর করবে না, বিপ্লবী জজবায় সব তছনছ করতে ইচ্ছা করবে না। কারণ, সেসব আমার বিশ্বাস নেই। বরং এমন একটা ব্লগ চাই, যেখানে আসলে একটু স্বস্তি পাব, সত্যিকারের ভালো মানুষদের কাছে থাকলে যেই স্বস্তি পাওয়া যায়, সত্যিকারের তাকওয়াপূর্ণ মানুষের আশে পাশে থাকলে যেই ভালো লাগা হয়, হোক সেই মানুষটা রাজনৈতিক চেতনার দিক থেকে পুরাপুরি বিপরীতধর্মী।
প্রপাগান্ডামূলক রাজনৈতিক লেখা লিখার জন্য ব্লগসাইটের অভাব নেই ইন্টারনেটে, বিসর্গকে কি এর থেকে মুক্ত রাখা যায় না, প্লীজ?  

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)

প্রপাগান্ডামূলক রাজনৈতিক লেখা লিখার জন্য ব্লগসাইটের অভাব নেই ইন্টারনেটে, বিসর্গকে কি এর থেকে মুক্ত রাখা যায় না, প্লীজ?মনে হয় না Sad

লেখাটি ভাল লেগেছে এবং লেখিকার মতামতকে সমর্থন করছি।

তবে রাজনৈতিক পোষ্টকে অনুৎসাহিত করছি না বরং রাজনৈতিক পোষ্টের নামে যাচ্ছেতাই পোষ্ট দেয়াকে অনুৎসাহিত করছি। ইসলামকে ভালবাসলে সর্বাগ্রে ইসলাম নিয়েই ভাবতে হবে। তারপর শাখা প্রশাখা নফল মুস্তাহাব।

-

"প্রচার কর আমার পক্ষ হতে, যদি একটি কথাও (জানা) থাকে।" -আল হাদীস

দেখেন কি হয়।

-

dr

Onek valo likha

-

helal

অনেক ভাল লিখেছেন। ধন্যবাদ।

-

helal

সামহোয়ারের মত মাইনাসের অপশন থাকলে এই পোষ্টে মাইনাস দিতাম।

@নিধিরাম সর্দার:

সেটা নেই, তবে কি বোর্ড তো রয়েছে। কারনটা যদি বলে যেতেন তবে বিষয়টি বোঝা যেত। যা মাইনাসের চেয়ে শক্তিশালী বলে আমার বিশ্বাস।

 

ভাল থাকুন।

যেসব কারণে অন্যান্য ব্লগগুলোতে বিশৃংখলা হয়, সেগুলোর অবতারণা যদি এখানেও ঘটে বা ঘটানো হয়, তবে বিসর্গের প্রয়োজন কেন?

সহমত। আমাদেরকে সৃজনশীল লেখা উপহার দিতে হবে বিসর্গের পাঠকদের জন্য।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

পুরোপুরি একমত না। তবে এখানে প্রথম থেকেই একটা বিষয়ের দিকে কর্তৃপক্ষকে নজর রাখার অনুরোধ করছি, যে যারা রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে লিখতে চান তারা গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ কিংবা প্রচারের ক্ষেত্রে রেফারেন্স যুক্ত করে অবশ্যই লেখার নীচে বা লিংক আকারে উপস্থাপন করবেন এ বিধান করা হোক।
আর ব্যক্তি আক্রমনকে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করা হোক।
এ ব্লগটি যেন নিছক একটি ব্লগ না হয় বরং সৃজনশীল লেখার একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহাগারে পরিণত করা যায়।

চারপাশের পরিবেশ এড়ানো সম্ভব না, কিন্তু খুব বেশি আলোড়িত হওয়াটাও খুব সুবিধার কথা না। আপনার যা মন চায় লিখুন, আপনি নিজের চিন্তা আর লক্ষ্যের প্রতি নিবিষ্ট থাকলে ভালো। অন্যের চিন্তা আর ভাষা তার নিজস্ব ব্যাপার। আপনার চিন্তার নিজের প্রতি বিশ্লেষণের দিকটা ভালো, কিন্তু তা আপনি অন্যদের উপর চাপাতে পারেন না।

১।
ব্লগের পরিবেশ কেমন হবে সে ব্যপারে সবার আকাংখা থাকতেই পারে, তবে সেটি সবার ক্ষেত্রেই একই রকম সাধারণত হয় না। বিষয়বস্তু ঠিক কি হলে পরিবেশ রক্ষিত হবে সেটাও সম্পুর্ণ আপেক্ষিক। আমি নিজেও অতিরিক্ত রাজনৈতিক পোষ্ট পছন্দ করিনা। কিন্তু প্রথম পাতায় আজকে সারাদিন ধরে 'মলত্যাগ' সঙ্ক্রান্ত যে পোষ্ট ঝুলে আছে তার বদলে আমি রাজনৈতিক পোষ্ট ঝুলে থাকাকেই  আমি বেশি পছন্দ করব। তবে আমার পছন্দ আমি কারো উপর চাপিয়ে দেওয়ার পক্ষপাতি নই। এক পাড়ার সব বাড়ির মানুষের অভিরুচি উন্নত  ‌হয় না। কেউ তার রুচি অনুযায়ী উঠোনে 'মল' ছড়িয়ে রেখে সুখ পেলে আমি নাক চেপে সে উঠোন পাড়ি দিয়ে অন্য বাড়ির উঠোনে দাড়াব।  সবাইকে নিয়েই সমাজ। আমি সেই সমাজের অংশ হয়েই সবার মাঝে থাকতে চাই, বুঝতে চাই। এর সহজ বিকল্পও বোধহয় খুব বেশি নেই।

২।
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল ও মুসলিম সংখ্যা লঘিষ্ট অঞ্চলের ইসলাম চর্চা ও বোঝার ক্ষেত্রে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান। এর পিছনে ভূরাজনীতি, আঞ্চলিক সংস্কৃতি সহ নানা উপাদান বিদ্যমান। সেকারণেই পাশ্চাত্যের দেশগুলিতে যখন ইসলামি আন্দোলনের মূলসুর ইনক্লুশন, ইন্টিগ্রেশন, ইন্টারফেইথ কমিউনিকেশন, সেখানে মধ্যপ্রাচ্যে মূলধারা ইমান, আকিদা সংক্রান্ত বিষয় কেন্দ্রিক আর বাংলাদেশে সেটি রাজনৈতিক ক্ষমতা কেন্দ্রিক। তাই বাংলাদেশে যারা ইসলামের চর্চা কে ব্যাক্তির গন্ডীর বাইরে সামাজিক পর্যায়ে দেখতে চান, পরিবেশের কারণেই তাদের আগ্রহ রাজনীতিতে বেশি হবে সেটাই স্বাভাবিক।

৩।
ব্লগের টোন সমষ্টির চিন্তা ও আকাংখা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলেও ভালো লেখার প্রভাব সব সময়েই থাকে। বাম পাশে ঝুলে থাকা সর্বাধিক পঠিত লেখার দিকে দেখলেই সেটা বুঝতে পারবেন। কিছু লেখক লেখা দিয়ে সমষ্টির চিন্তাকে প্রভাবিত করতে পারে। স্রষ্টা সবাইকে সেই ক্ষমতা দেননি। আমি আপনাকে সেই 'কিছু লেখক' এর অন্তর্ভুক্ত মনে করি। আপনি আপনার লেখনি দিয়েই আপনার আকাংখার বাস্তবায়ন করবেন সেই কামনা করি। আর ব্লগ কতৃপক্ষের দায়িত্ব সবার নিঃসন্কোচে মত প্রকাশের পরিবেশ তৈরী করে দেওয়া। আশা করি তারা সেটি পালন করবেন।

আপনার কমেন্টগুলো একেবারে স্পটঅন। কিন্তু 'মলত্যাগ' সংক্রান্ত লেখাটি কেন যে বহুল পঠিত লেখার লিস্ট থেকে যাচ্ছে না তা বুঝছি না। কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত পোস্টগুলো বামের কলামে তুলে আনলে মনে হয় ভালো হতো।  Smiling

আপনার মন্তব্যটা অনেক স্বচ্ছ, ভালো লেগেছে পরিষ্কার করে দেখতে সাহায্য করার জন্য। ধন্যবাদ।  

মানুষ রাজনৈতিক প্রবণ। তাই এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় সবার অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। সুষ্ঠু, সুন্দর রাজনীতি মানুষের কল্যাণই বয়ে আনে। অত্যাচারী শাসকের   বিরুদ্ধে লেখাও কিন্তু জিহাদের অংশ। তবে অন্যান্য লেখারও প্রয়োজন। তাছাড়া রাজনীতির জন্য তো এক  রাজনীতিকই যথেষ্ট-তাই না!

ধন্যবাদ।

(নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে এ মন্তব্যটি মুছে দেয়া হলো। দ্রষ্টব্য: নীতিমালা, ধারা-২, বিষয়: "নাম বিকৃতিকরণ")

-

মহামতি মহাজ্ঞানী মহাসাধক মহাপুরুষ কাপালিক

অনেক আগেই লেখাটা পড়েছিলাম। সুন্দর লেখা তবে পুরো একমত হতে পারিনি। আমার পয়েন্টগুলো নীচে লিখছি।

প্রথমত: ব্লগ ঠিক শিশুতোষ সাহিত্য নয় যে তাকে উপদেশ গিলিয়ে দিতে হবে। মানুষের স্বাভাবিক আবেগ অনুভূতির প্রতিফলন ব্লগে ঘটবে - এটা খুব স্বাভাবিক এবং এটাই হওয়া উচিত।  তাই সে হিসেবে সব ধরনের লেখাকেই অদ্বিতীয় এবং গুরুত্ববহ বলা চলে।

দ্বিতীয়ত:  ব্লগে সস্তা চটকদার লেখার ভিড়ে অনেক সময় ভাল, চিন্তাশীল লেখা হারিয়ে যায়। এই বিষয়টি আমাকেও পীড়া দেয়। সেজন্য "নির্বাচিত পোস্ট" জাতীয় একটি কলাম থাকা উচিত যাতে মোটামুটি স্ৃজনশীল লেখাগুলোর একটি লিংক থাকে। ভিন্নমতী সংখ্যালঘু মতের হলেও ঠিক আছে, যদি তা অর্থবহ এবং যুক্তিযুক্ত হয়।

ত্ৃতীয়ত:    লেখিকার কিছু অবজার্ভেশনের সাথে একমত হলাম না। যাকে তিনি সময় নষ্ট বলে হতাশা ব্যক্ত করছেন - তা কিন্তু সেরকমটি নয়। বিতর্ক মানেই অর্থহীন নয়, ডিফেন্সিভ লেখা মানেই সময় নষ্ট নয়। অর্থহীন সেটাই যা সত্যিকার অর্থেই অর্থহীন। বিতর্ক আমি নিজে পছন্দ করি না, এজন্য নয় যে তা অর্থহীন। বরং বিতর্ক অপছন্দের কারন হল তাতে পরাজিতের ক্ষোভ থাকতে পারে, যা থেকে শত্রুভাব তৈরী হতে পারে।  বরং আলোচনাকে স্বাগতম যা প্রতিটি মানুষকে এই অনুভূতি দেয় যে তোমার মতামত গুরুত্ববহ।

আপাতত এই। ধন্যবাদ।

আপনার এই মন্তব্যটা আজকে মাত্র পড়লাম। এত সুন্দর কিছু কথা লিখেছেন! অনেক ধন্যবাদ!

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)