ভিন্ন সমাধান আছে ভিন্ন মত ভিন্ন ধর্ম প্রত্যেকে ভিন্ন স্বাধীনতা তর্ক আর হত্যা ছেড়ে ভিন্ন সমাজ গঠন যা হবে শান্তির

দেশে ভিন্ন ধর্ম আছে , শুধু দেশে নয় , পৃথিবীতে । যাই হোক আজ যেহেতু দেশে এই প্রবলেম তাই দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী ই বলি ।

ভিন্ন ধর্ম  : যেমন হিন্দু , মুসলমান , বৌদ্ধ , ইহুদি , জৈন , প্যাগান , আরো অনেক পাবেন ।

এক ধর্মের লোক আরেক ধর্ম কে ভালবাসে না , এক ধর্মের লোক আরেক ধর্মের লোকের সাথে চলাফেরা উঠাবসা করে না , এমন কি এক ধর্মের লোক আরেক ধর্মের ঘরে যায় না , খাবার খায় না , এক ধর্মের এলাকার লোক অন্য ধর্মের এলাকায় ( জায়গায় ) যায় না এসব ।

<b>ভিন্ন সমাধান আছে ভিন্ন মত ভিন্ন ধর্ম প্রত্যেকে ভিন্ন স্বাধীনতা , তর্ক আর হত্যা ছেড়ে ভিন্ন সমাজ গঠন যা হবে শান্তির </b>

ভিন্ন ভাষা , সংস্কৃতি , খাবার , চলচিত্র , গান এসবের জন্য তর্ক হতে পারে কিন্তু হত্যা পর্যন্ত যায় না ।
তাহলে দেখা যাচ্ছে হত্যা পর্যন্ত যায় কেবল ভিন্ন ধর্মের কারণে ।

--------------------------------------------------------------------

এখন দেখব কিভাবে একটা সমাধান আসতে পারে ।

হিন্দু রা তাদের ধর্ম পালন করছে মহা উত্সবের মাধ্যমে তার প্রকাশ পাওয়া যায় ( যেমন পূজা ) , ভালো হিন্দুরা তাদের ধর্ম পালন করবে করুন , যে যে ধর্ম ভালবাসে বা যে রকম জীবন  বিধান ভালো বাসে সে রকম পালন করুক ।

মুসলিম রা তাদের ধর্ম পালন করছে মহা উত্সবের মাধ্যমে তার প্রকাশ পাওয়া যায় যেমন ঈদ , ভালো মুসলিম রা তাদের ধর্ম পালন করুক , যে যে ধর্ম ভালবাসে সে সে ধর্ম পালন করুক ।

বৌদ্ধ রা পালন করছে , এভাবে প্রত্যেক ধর্ম ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের অনুসারী আছে তারা তা পালন করছে ।

-------------------------------------------------------------------

<blockquote>ঠিক একই ভাবে নাস্তিক বা যে কোনো ধর্মের অনুসারী নয় : সে তার ধর্ম ( বৈশিত্ব বা আচরণ ) বা ধর্ম নয় , পালন করুক , যে যে ধর্ম বা অধর্ম ভালবাসে সে তা পালন করুক । </blockquote>

-------------------------------------------------------------------
<b>এই পর্যন্ত এসে সব কিছু ঠিক থাক , এইবার এখন ঘটবে প্রবলেম ,যদি >  হিন্দুরা অন্য ধর্মের নাম বিদ্বেষ ছড়ায় , মুসলিমরা অন্য ধর্মের নাম বিদ্বেষ ছড়ায় , এভাবে এক ধর্ম আরেক ধর্মের নাম বিদ্বেষ ছড়ায় ,

অথবা যারা ধর্ম মানে না তারা অন্য সব ধর্মের নাম বিদ্বেষ ছড়ায় ! এইখানে এসে শুরু হয়ে গেল তর্ক আর হত্যা ! এখানে চলছে বিদ্বেষ , ঘৃনা , মানবতা হত্যা , এক ধর্ম আরেক ধর্মকে বা নাই ধর্ম অন্য ধর্ম কে তার দিকে টেনে নেয়া বা অধিকার করার চেষ্টা !

এখন যদি এই তর্ক , চেষ্টা , হত্যায় , অন্যের ধর্ম সম্পর্কে কিছুই না বলা , আপনি যা জানে তা ভালো অন্যকে তা জানাতে যাবেন না , তর্ক করতে যাবেন না , ধর্ম , কুসংস্কার , এসব নিয়ে লেখালেখি করতে যাবেন না , কাওকে মানবতার কথা বলবেন না , আপনি যা জানেন ( এখানে আপনি মানে প্রত্যেক ভিন্ন মানুষ ) তাই পৃথিবীর সর্ব শ্রেষ্ঠ কিন্তু তা কাওকে ভুলেও জানাতে যাবেন না , তাহলে জ্ঞানের চর্চা কিভাবে হবে হা একটু পরেই বলছি অপেক্ষা করুন । ভুলেও কাওকে সত্য বা মহা মূল্যবান কথা যা আপনার কাছে মহা মূল্যবান তা কাওকে বলতে যাবেন না । প্রয়োজন নেই তা বলার , যদি কারো জ্ঞানের যোগ্যতা থাকে তবে সে তা বের করে বা জেনে নিবে । শান্ত হন , বিশ্রাম নিন । </b>

-------------------------------------------------------------------

এখন আরো একটু আছে , উপরে দেখুন ব্লক কোট করা আছে লেখা গুলো

<blockquote>ঠিক একই ভাবে নাস্তিক বা যে কোনো ধর্মের অনুসারী নয় : সে তার ধর্ম ( বৈশিত্ব বা আচরণ ) বা ধর্ম নয় , পালন করুক , যে যে ধর্ম বা অধর্ম ভালবাসে সে তা পালন করুক । </blockquote>

এইখানে এসে আমার কিছু বলার আছে , অনেক কিছু বলার আছে , প্রতিটা ধর্ম যেমন তার নিজস্স্ব সমাজ গঠন করে স্বাধীন ভাবে চর্চা করছে । নাস্তিক দের একটা সমাজ কি আছে ? না নেই ! যারা কোনো ধর্মে বিশ্বাস করেন না তারা আলাদা একটা সমাজ গঠন করে সেই সমাজ অনুযায়ী বসবাস শুরু করেন , এইত হয়ে গেল । তাহলে এখন সমাজ গঠন করার পর যদি কেও আপনাদের হত্যা করতে আসে তাহলে হবে সেটা সংখা লঘু নির্যাতন । কিন্তু সমাজ গঠনের প্রয়োজন আছে অনেক বেশি , কারণ নাস্তিক বা যারা কোনো ধর্মের অনুসারী নন তারা যদি সমাজ গঠন না করেন তাহলে তো আপনাদের অস্তিত্তই নেই  ।

হা নাস্তিক গণ আপনারা সমাজ গঠন করবেন ঠিক একই রকম ভাবে যে রকম ভাবে অন্য ধর্ম গুলো সমাজ গঠন করেছে । আপনাদের যা বলার তা আপনাদের সমাজের ভিতরেই বলবেন , অন্য ধর্মের মত পূজা করতে চাইলে ( যদিও নাস্তিকরা পূজায় বা প্রার্থনায় বিশ্বাসী নয় ) প্রতিদিন বা যখন আপনাদের সময় হবে আপনাদের গ্রন্থ বা মুক্ত বাণী বাংলায় নিজে পথ করবেন ও অন্যকে সুনাবেন , তবে আপনার সমাজের ভিতরে লোকজনদের । অন্য ধর্মের লোকজনদের কাওকে জায়গা বা পাত্তা দিবে না , বা ভালো বসবেন না , ঘরে নিয়ে যাবেন না , ঠিক যেভাবে অন্য ধর্ম গুলো সমাজ গঠন করে ধর্ম পালন করে আসছে ।

একটু মজা নিই , কিভাবে সমাজ বানাবেন , ফেইসবুক এ গ্রুপ খুলবেন সদর দরজায় লেখা থাকবে শুধু নাস্তিক দের জন্য , যারা অন্য ধর্মের তারা প্রবেশ অনুমতি নেই । ঠিক আপনাদের ঘরে সদর দরজায় লেখা থাকবে শুধু নাস্তিক দের জন্য অন্য ধর্মের লোকজনদের অনুমতি নেই , আপনাদের এলাকা বা বাড়ির সদর দরজায় লেখা থাকবে শুধু নাস্তিক দের প্রবেশ অনুমুদন করে এছাড়া কাওকে করে না । সরকার কাছ থেকে নতুন আইন চেয়ে নিবেন ঠিক যেভাবে অন্য ধর্মের সমাজের জন্য আইন আছে । হোটেল , রেস্তরেন্ট , চায়ের ষ্টল , আড্ডা সব খানেই সদর দরজায় প্রবেশ অনুমতি লিখে দিবেন ।  একসাথে বসে সবাই আড্ডা দিবেন । আপনাদের আইডেনটিটি হবে নাস্তিক , যেহেতু ধর্ম মানেননা সেহেতু বিয়েও মানেন না , পরিবার প্রথাও মানেন না তাই দেশে কাগজে পত্রে আপনাদের আইডেনটিটি লিখে দিবেন নাস্তিক । আর নাস্তিক দের ভিতরে কি রকম সমাজ হবে তা নাস্তিক রাই ঠিক করে নেবে যেহেতু তারা কোন ধর্মই মানে না ।

হোটেল , আড্ডা , ঘর , রেস্টুরেন্ট , বিশ্রামাগার , বাজার , দোকান , কেনাকাটা সব খানে আলাদা সাইনবোর্ড থাকবে শুধু মাত্র নাস্তিকদের প্রবেশ অনুমতি আছে ( যেখানে আপনাদের সমাজ গঠন হবে ) । পাশাপাশি  সাথে হিন্দু , মুসলিম , বৌদ্ধ ও অনন্য ধর্মের ও সাইনবোর্ড থাকবে ।
------------------------------------------------------------------

এখন তাহলে জ্ঞানের বা মুক্ত মনের শেয়ারিং কিভাবে হবে ? তাইতো ? হা হবে যদি কারো জ্ঞানের বা জানার আগ্রহ হয় তাহলে আপনার সমাজের ভিতরে অনুমতি নিয়ে এসে তারপর জানতে হবে ।

বাহ কি সুদর বলেছি আমি , বাহ বেশ ভালই তো দেখছি আমি বলতে পারি , কি ঠিক না ?

তাহলে এবার মানব সমাজ , মানবতা , পৃথিবী সব এক বারে গঠন না করে নিজের সমাজ আগে গঠন করুন নাস্তিক গণ ! দেখি কেমন পারেন । ধংসের পথে না গিয়ে গঠনের পথে আসুন !

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None