আল্লাহ চেয়েছেন বলেই..

“আমি এগুলোকে ইনসান জাতীর হাতে অসহায় ও তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এনে দিয়েছি। অত:পর এগুলোর মধ্য থেকে কারোর ওপর এরা সওয়ার হয়, কারোর গোশত খায় (সুরা ইয়াসীন, ৭২)  

ব্যাখ্যা: উট, গরু, ঘোড়া, হাতি, মহিষ, ইত্যাকার প্রাণী মানুষ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী। ফলে এসব জন্তু মানুষের বশীভুত না থাকাই ছিল যুক্তিসংগত। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখি, মানুষ তার চেয়ে দ্বিগুণ শক্তিমান উট, গরু, ঘোড়ার মুখে লাগাম পরিয়ে তাদেরকে যথেচ্ছ কাজে খাটাচ্ছে। একবার দেখলাম, এক কৃষক তার হালের গরুকে পিটাচ্ছে, গরুটি বাম পায়ে লাঠির ঘা খেয়ে শরীর ডান দিকে কুঞ্চিত করে নিচ্ছে, আবার ডান পা’য়ে আঘাত খেয়ে শরীর বাম দিকে কুঞ্চিত করছে। কিন্তু আহা! মুখে কিছু বলার শক্তি পযন্ত তার নেই। অথচ এ ষাড়ের এক গুতোয় কৃষকের দফা রফা হয়ে যেতে পারতো। 

অনুরুপ, ছাগল, ভেড়া, হাস, মুরগী। মানুষের হাত থেকে পালানোর সাধ্য কারোর নেই।  নদী সমুদ্রের মৎসকুলকেও আল্লাহ এমন অবস্থায় সৃষ্টি করেছেন যে, অতি সহজেই মানুষ তাদেরকে শিকার করে খেতে পারে।

এমনিভাবে, ইনসান জাতির আজ্ঞাবহ হয়ে থাকা আকাশ ও যমিনের প্রতিটি সৃষ্টি এবং তার খিদমাতে নিয়োজিত প্রতিটি অণু পরমাণুর কথা আল্লাহ বার বার ইনসানকে মনে করিয়ে দিয়েছেন, অত:পর বলেছেন:  “আফসোস, এরপরও এ ইনসান জাতি কৃতজ্ঞ হয়না”।

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None