স্বামী সন্তান না থাকা

Collected :

*☀☀☀☀☀☀☀☀☀☀☀আয়েশা রা.-এর কোনও সন্তান ছিল না।

 যতদূর জানি, তিনি সন্তানসম্ভবা হয়েছিলেন, এমন কোনও তথ্যও হাদীসে নেই।

 নবীজির ঘরে খাদীজা রা.-এর ছয়টা সন্তান জন্মগ্রহণ করেছিল। চার কন্যা, দুই* *ছেলে। এটা দেখে আয়েশা রা.-এর মনেও আশা জাগা বিচিত্র কিছু ছিল না, আমারও সন্তান হোক!*

*কিন্তু তিনি সন্তানের জন্যে দু‘আ করেছেন বা নবীজির কাছে দু‘আ চেয়েছেন এমন কোনও নজীর হাদীসে নেই বলেই জানি।

 অথচ তিনি* *ছিলেন নবীজির প্রিয়তম স্ত্রী। সন্তান চাওয়া অন্যায় কোনও কিছু নয়। নবীজিকে বললেই হত। তিনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করতেন। আয়েশা রা. এমনটা করেন নি।*

.

*নবীজি যখন ইন্তেকাল করেন, তখন আয়েশা রা.-এর বয়েস আঠার। তিনি ইন্তেকাল* *করেছেন ৫৮ হিজরীতে। তার মানে নবীজির পরও তিনি প্রায় ৪৭ বছর বেঁচে ছিলেন। 

এই দীর্ঘ সময় তিনি স্বামী সন্তান ও সংসার ছাড়াই কাটিয়ে* *দিয়েছেন। কখনো সন্তান বা সংসারের জন্যে আক্ষেপ* *করেছেন, এমন কোনও প্রমাণ নেই। তিনি ইলমচর্চা, ইবাদত-বন্দেগী, শিক্ষকতা-ফতোয়া প্রদান করেই পুরো সময়টা কাটিয়ে দিয়েছেন। বড় বড় সাহাবী তার কাছ থেকে পাঠ নিয়েছেন। মদীনার সমস্ত মহিলাকুলের শিক্ষিকা ছিলেন।*

.

*সন্তান না হলে একটা মেয়ের জীবন থেমে থাকে না।*

*স্বামী মারা গেলে একটা মেয়ের জীবন থমকে যায় না।*

*মা-বাবা মারা গেলে একটা মেয়ের জীবন স্থবির হয়ে পড়ে না।*

*সংসার না হলে একটা মেয়ের জীবন অর্থহীন হয়ে যায় না।*

.

*আল্লাহ তা‘আলা যা ছিনিয়ে নেন, তার চেয়ে উত্তম কিছু বান্দাকে দান করেন।*

*দুনিয়া পরীক্ষার স্থান। কেউই এখানে পরীক্ষা দেয়া ছাড়া থাকতে পারে না।*

*আয়েশা রা. বিষয়টা ভালভাবে জানতেন এবং কর্মের মাধ্যমে তা মেনে দেখিয়েও গেছেন।*

*জীবনকে তিনি জনকল্যাণে ব্যয় করে গেছেন।*

*আল্লাহর ফয়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থেকেছেন।*

*সবর-শোকরের সাথে জীবন কাটিয়ে গেছেন।*

*কুরআন কারীমকে সাথী বানিয়েছেন।*

*হাদীসচর্চাকে জীবনের অনুষঙ্গ বানিয়েছেন।*

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None