মামলার জট নিরসনে পদক্ষেপ

 

 

দ্বৈত শাসনের
ফলে বহু জেলায় শূন্য পদে সময়মতো বিচারক নিয়োগ প্রদান সম্ভব হচ্ছে না। এতে বিচারকাজে
বিঘ্ন ঘটে।
বিচারপ্রার্থী
জনগণের ভোগান্তি বেড়ে যায়। বিচার ব্যবস্থাকে স্বাধীন করার জন্য, দেশের
উন্নয়নের জন্য, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে যা যা করা
দরকার সরকার তাই করছে। বিচার বিভাগে স্বাধীনতা ও গতিশীলতা আনতে বর্তমান
সরকার বদ্ধপরিকর।
এটা
সরকার করতেই থাকবে।
মামলার
জট কমাতে সংবিধানের ১১৬ নম্বর অনুচ্ছেদ সংশোধন বা পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে তা করা
হচ্ছে। বহু জেলায় শূন্য পদে সময়মতো বিচারক নিয়োগ প্রদানের ক্ষেত্রেও সময়োপযোগী
পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ বিচার বিভাগের
ধীরগতির অন্যতম কারণ। ১১৬ অনুচ্ছেদের ফলে অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদোন্নতি, বদলি
ও শৃঙ্খলামূলক কার্যক্রম সুপ্রিম কোর্টের পক্ষে এককভাবে গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ সকল বিষয়কে
খেয়াল রেখে বাস্তবধর্মী পদেক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এখন মূল প্রিন্সিপাল
হচ্ছে মামলার জট নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কারণে একজন বিচারককে
যেন অপসারণ করা না যায় বা তাঁকে অসুবিধায় ফেলা না যায় এ বিষয়টি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার
জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। এ জন্যই সংবিধানে বিচারক নিয়োগ, বদলি,
অপসারণ, পদোন্নতির সব দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রপতির
হাতে।
রাষ্ট্রপতি
হচ্ছেন রাষ্ট্রের প্রধান,
এক নম্বর ব্যক্তি। রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে
দেখেশুনে সিদ্ধান্ত দেবেন। সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপে মামলার যট নিরসনে
এখন আর দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হবে না সাধারণ মানুষের। গণমুখী ও কল্যাণকর সবধরনের
কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার।

 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None