বাংলাদেশ বিনিয়োগের উৎকৃষ্ট স্থান

বাংলাদেশ বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য
একটি আদর্শ স্থান। বিদেশীদের ব্যবসার জন্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের
নীতি সবচেয়ে উদার। ব্যবসার জন্য খরচও তুলনামূলক কম। ইইউ, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা,
ভারত, জাপান ও নিউজিল্যান্ডের বাজারে আমাদের পণ্যের
কোটা ও শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে। আটটি
শতভাগ রফতানিমুখী ইপিজেড এবং একশটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চলছে। চীন, ভারত ও জাপানের ব্যবসায়ীদের জন্য এরই মধ্যে
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তৈরি পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান, যুক্তরাষ্ট্রসহ

Image result for বাংলাদেশ

৮৩টি দেশে ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য রফতানি, দ্রুত
বিকাশমান তথ্য-প্রযুক্তি খাত এবং এরই মধ্যে অন্যদের নজর কাড়া
জাহাজ নির্মাণ শিল্প বিনিয়োগে লাভজনক স্থান। এছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য,
পাট, সিরামিক, পেট্রোকেমিক্যাল,
খাদ্য ও কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, প্লাস্টিক পণ্য,
জ্বালানি-বিদ্যুত, পানি
ও সমুদ্র সম্পদ ও অন্যান্য অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের সুযোগও রয়েছে।যে কোন

 ব্যবসায়ী উদ্যোগ বাংলাদেশের বিকাশমান মধ্যবিত্তের
বর্ধিত ক্রয়ক্ষমতা এবং চীন, ভারত ও আসিয়ানের বিশাল বাজার সংলগ্নতার ভূ-অর্থনীতির কৌশলগত অবস্থানের সুবিধা নিতে পারবে। এরই
মধ্যে বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে উঠে এসেছে।  ২০২১ সালনাগাদ মধ্যম এবং ২০৪১ সাল নাগাদ
উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর
ফলে ব্যবসা, বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনী ব্যবসায় বাংলাদেশের অংশীদার
হয়ে উভয় পক্ষের সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আমাদের ব্যবসায়ীরা শুধু পশ্চিমে
যায়। আর বলে, ‘এটা দাও, ওটা দাও’। একাত্তরে আমাদের সহায়তা করেছে এমন অনেক দেশ এখনও আমাদের জন্য
অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে। মধ্য এশিয়া ও ইউরোপের অনেক দেশ আছে, যেখানে আমরা
ব্যবসা করতে পারি। 
আর এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে সামনের দিকে।


 

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None