অভিবাসী কর্মী প্রেরণে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এদেশের নাগরিকদের অভিবাসনের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়। বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। এদেশে প্রতিবছর ২০ লাখের বেশি পুরুষ ও মহিলা কর্মী শ্রমবাজারে যুক্ত হচ্ছেন। বর্তমান সরকার অভিবাসন প্রক্রিয়ার মান উন্নয়ন, যৌক্তিক অভিবাসন ব্যয় এবং অভিবাসী কর্মীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কার্যকরি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিদেশে কর্মসংস্থানের বর্তমান ধারাকে অব্যাহত রাখতে বিদ্যমান শ্রমবাজার ধরে রাখাসহ নতুন নতুন সম্ভাবনাময় শ্রম বাজার অনুসন্ধান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে থাইল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া ও রাশিয়ায় কর্মী প্রেরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স জাতীয় উন্নয়নের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিবেচনায় নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। আমাদের এ সাফল্যে প্রবাসী কর্মীদের প্রেরিত রেমিটেন্স গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ বছরে সাত লাখের বেশি কর্মী দেশের বাইরে পাঠানো হয়েছে। যা এর আগে কখনও এতসংখ্যক কর্মীর বিদেশে কর্মসংস্থান হয়নি। চলতি ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই বিপুল সংখ্যক কর্মী বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোট সাত লাখ ২২ হাজার ১০০ জন কর্মীর বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে। বছর শেষে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। অভিবাসী কর্মী প্রেরণে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে ৯৭টি দেশে কর্মী প্রেরণ করা হতো। এখন ১৬২টি দেশে কর্মী প্রেরণ করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের শ্রমকূটনীতির সাফল্যের কারণে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। সরকারের সফল পরিকল্পনা ও উদ্যোগের কারনে এই রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ।


 

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None