আহলান সাহলান মাহে রমজান

অাহলান সাহলান মাহে রমজান।

মাহে রমজানের আগমন শুভেচ্ছার স্বাগতম।

একটি বছর পরে এলো রমজান,

রহমত ও নাজাতের নিয়ে আহ্বান।

আল্লাহের কাছে কোটিকোটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করি যিনি আর একটি মহিমান্বিত মাস উপভোগ করার সুযোগ দান করলেন।

মাহে রমজান নিয়ে কিছু কথা :-

আগে রমজানের কিছু মহিমান্বিত ফযি ·লতের কথা বলা যাক:

এখানে সামান্য কিছু ফযিলতের কথা বলা হলো। কারন আমি যদি রমজান এবং সাওমের গুরুত্বের কথা লিখে শেষ করতে যাই তাহলে আমার কলমের কালি শেষ হয়ে যাবে তবু এর গুরুত্বের কিঞ্চিৎ পরামানিক বর্ননা করা সম্ভব হবে না।

কুরআন

অবতীর্ণের মাস:

পবিত্র কুরআনে

আল্লাহ বলেন,

“রমজান মাস,

যাতে কুরআন

নাযিল করা

হয়েছে মানুষের

হিদায়াতের

জন্য।” (সূরা

বাকারা- ১৮৫)

২· ইসলামের

বিজয়ের মাস:

দ্বিতীয়

হিজরীতে এ

মাসের ১৭

তারিখে বদরের

যুদ্ধ হয়েছিল এবং

মুসলমানগণ তাতে

অকল্পনীয় বিজয়

লাভ করেন। অনুরূপ

অষ্টম হিজরীর ২০

রমাদানে

রাসূলুল্লাহ স·

মক্কা বিজয় করেন।

৩· বরকতময় মাস:

রাসূলুল্লাহ স·

বলেছেন,

“তোমাদের নিকট

বরকতময় মাস রমজান

এসেছে, যার

সিয়াম আল্লাহ

তোমাদের উপর

ফরয

করেছেন।” (সুনান

নাসায়ী: ২০৭৯)

৪· গুনাহ মাফের

মাস: রাসূলুল্লাহ স·

বলেছেন, “এক

রমজান তার

পূর্ববর্তী

রমজানের

মধ্যবর্তী সময়ের

সকল সগীরা গুনাহ

মিটিয়ে

দেয়।” (সহীহ

মুসলিম: ৩৪৪)

৫· কদরের

রাতবিশিষ্ট মাস: এ

মাসে রয়েছে

কদরের রাত যা

হাজার মাসের

চেয়েও উত্তম।

আল্লাহ বলেন,

“কদরের রাত,

হাজার মাস

থেকেও

উত্তম।” (সূরা কদর:

৩)

৬· সবরের মাস:

রাসূলুল্লাহ স·

বলেছেন, “সবরের

মাসে সাওম পালন

ও প্রত্যেক মাসে

তিনদিন সাওম

পালন অন্তরের

অস্খিরতা দূর

করে।” (মুসনাদ

আহমাদ: ৭২৬১)

৭· জান্নাতের

দ্বারসমূহ উন্মুক্ত

এবং

জাহান্নামের

দ্বারসমূহ বন্ধের

মাস: রাসূলুল্লাহ স·

বলেছেন, “যখন

রমজান আগমন করে

তখন খুলে দেয়া হয়

জান্নাতের

দরজাসমূহ এবং বন্ধ

করে দেয়া হয়

জাহান্নামের

প্রবেশ পথগুলো।

আর শৃকôখলিত করা

হয়

শয়তানদের।” (সহী

মুসলিম: ১৭৯৩)

৮· জাহান্নাম

থেকে মুক্তির

মাস: এ মাসে

আল্লাহ তাঁর

অসংখ্য বান্দাকে

জাহান্নাম

থেকে মুক্তি

দেন। রাসূলুল্লাহ

স· বলেছেন “এ

মাসের প্রত্যেক

রাতেই আল্লাহ

তার কতিপয়

বান্দাহকে

জাহান্নাম

থেকে মুক্তি

দেন।” (সুনান

তিরমিযী: ৬১৮)

৯· দশমাস সাওম

পালনের

সমপরিমাণ সাওয়াব

বিশিষ্ট মাস:

রাসূলুল্লাহ স·

বলেছেন, “রমজান

মাসের সিয়াম দশ

মাসের সমতূল্য

এবং শাওয়ালের

ছয় দিনের সিয়াম

দুই মাসের সমতুল্য।

এ যেন সারা

বছরের

সিয়াম।” (মুসনাদ

আহমাদ: ২১৭৮)

১০· কল্যাণের

প্রতি আহ্বানের

মাস: রাসূলুল্লাহ স·

বলেছেন, “এ

মাসের প্রতি

রাতেই

আহ্বানকারী

ঘোষণা দেয়, হে

কল্যাণ

কামনাকারী,

কল্যাণের দিকে

আস। হে অকল্যাণ

কামনাকারী

থেমে

যাও।” (সুনান

তিরমিযী: ৬১৮)

১১· দোয়া কবুলের

মাস: রাসূলুল্লাহ স·

বলেছেন, “রমজান

মাসে কৃত প্রত্যেক

মুসলমানের দোয়া

কবুল হয়ে

থাকে।” (মুসনাদ

আহমাদ: ৭১৩৮)

১২· সিয়াম

পালনের মাস:

রাসূলুল্লাহ স·

বলেছেন,

“তোমাদের নিকট

বরকতময় মাস রমজান

এসেছে, যার

সিয়াম আল্লাহ

তোমাদের উপর

ফরয

করেছেন।” (সুনান

নাসায়ী: ২০৭৯)

কিছু অনুরোধ :-

রমজান মাস বছরের সবথেকে উত্তম মাস।

আল্লাহ নিজের হাতেরোজাদার কে পুরস্কার দিবে বলে কুরআনে উল্লেখ করেছেন।

আমাদের সবার উচিৎ এই মাসে বেশি বেশি ইবাদাতের মাধ্যমে নিজেকে শুধরে নিয়ে বাকি এগার মাস এই মাসের শিক্ষা নিয়ে চলা।

কারন এই মাসে শয়তান বাধা থাকে।

অনেকে মনে করে আমি এমনিতেই হ্যাংলা তারপর আবার রোজা রাখলে আমার কোন খোজ ই থাকবে না।অনেকের আবার পরীক্ষা থাকে, বলে এমনিতেই পড়ালেখা হয়না তারপর আবার রোজা রাখলে তো মোটেও পড়ালেখা হবেনা।আবার কেউ আছে রোজা থাকলে বডি ফিগার এবং চেহারা নষ্ট হয়ে যাবে বলে রোযা রাখেন না।

আরে ভাই আপনি যেগুলা নিয়ে ভাবছেন এগুলা আপনার দুনিয়ার ক্ষনস্থায়ী জীবনের স্বার্থে।

একবার চিরস্থায়ী জীবন আখিরাতের কথা ভেবে দেখুন।

আর আল্লাহ আমাদের এমন কোন আদেশ দেননি যা আপাদের পালন করতে কস্ট হয়ে।

বরং যাতে আমাদের কল্যান নিহিত আছে সেরকম কাজের আদেশ দিয়েছেন

তাহলে কিনেন এতো অজুহাত???

এই যে আপনার সুন্দর জীবন এটা কার দান???

নিশ্চয় আল্লাহ।

তাহলে আপনার কিনেন এতো ব্যস্ততা??

কিসের এতো চেহারার অহংকার???

যার সবকিছু আল্লাহর দান।।।।

তাই আসুন আজ ই নিয়্যাত করি আর কখন ও ফরজ তরখ করবোনা। আর বিনা ওজরে রোজা ছাড়বোনা।

কারন এটাই হাতে পারে আমাদের জীবনের শেষ রোজা।।।

আল্লার প্রতি অশেষ শুকরিয়া যিনি আমাকে এতোগুলো কথা বলার তৌফিক দান করলেন।।

আজ এপর্যন্ত ই।

আল্লাহ হাফেজ।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)