সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

খলের ছল

গ্রামের প্রভাবশালী সন্ত্রাসী চুন্নু মিয়া। জোর-জুলুম করে মানুষের জায়গা-জমি দখল করাই তার পেশা। বাধা পেলে মানুষকে রাতের অন্ধকারে গুম করে দেয়। এভাবে সে বহু গ্রামবাসীর জমি হাতিয়ে নিতে পারলেও নিজের ঘরের কোল ঘেষা প্রতিবেশী রজব মাস্টারকে নতি স্বীকার করাতে পারেনি। রজব মাস্টার তার বসতবাড়ি ও জমি ছেড়ে দিতে আদৌ রাজি নয়।
সুযোগ খুঁজতে থাকে সন্ত্রাসী চুন্নু মিয়া। এক শীতের মওসুমে রজম মাস্টারের স্ত্রী ও সন্তানেরা যখন রজবের শ্বশুর বাড়িতে (অর্থাৎ, তার সন্তানদের নানাবাড়িতে) গেল এবং সে নিজে কিছু কাজ সম্পন্ন করার জন্য নিজের বাড়িতে একা থেকে গেল, তখন সন্ত্রাসী চুন্নু মিয়া সেই সুযোগ গ্রহণ করে। রাতের অন্ধকারে একদল সন্ত্রাসী সাঙ্গোপাঙ্গোকে সাথে নিয়ে রজব মাস্টারের বাড়িতে হানা দেয় এবং তাকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায়। এক রাস্তার পাশে নদী বা বিলের ধারে নিয়ে রজব মাস্টারকে হত্যা করে লাশ পানিতে ফেলে দেয়া হয়। ঘটনাক্রমে উক্ত নদীর/বিলের পাড়ে ৬ জন গ্রামবাসী মাছ ধরছিলো। তারা হলো রহিম, করিম, সাদেক, আমর, কাদের ও নছিমন বিবি।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

আল্লাহর অস্তিত্ব সম্পর্কে ১

আকাশ ও পৃথিবীর ব্যবস্থাপনা, মাটি, পানি, বাতাস, বায়ু মন্ডল, জীব জন্তু, গাছপালা ও বন জংগল ইত্যাদির গবেষণালব্ধ জ্ঞান আমাদেরকে চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া কোন ব্যাপার এটি নয় বরং এর পেছনে জ্ঞানবান কোনও এক সত্তার অস্তিত্ব বিদ্যমান। 

আধুনিক বিজ্ঞান এ সত্য আজ স্বীকার করে নিয়েছে যে, প্রাণের উৎপত্তি, বিকাশ ও তাদের জীবন ধারণের জন্য মাটিতে, বায়ুমন্ডলে একটা পরিমিত পর্যায়ে কার্বন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফেট, সালফার, অক্সিজেন, জলীয়বাস্প এবং তাপমাত্রা থাকতে হবে। যদি পরিমাণ নির্ধারণের হিসাব নিকাশে ভুল হয় তাহলে মাটি উদ্ভিদ লতা গুল্ম জন্মাতে ব্যর্থ হবে।

অনুরুপভাবে শুধুমাত্র চন্দ্র, সুর্য, পৃথিবী এবং এ সৌরমন্ডলের গবেষণাও আমাদেরকে বলে দেয় যে, কেউ একজন সেকেন্ড মিনিট, ঘন্টা এবং ইঞ্চি, কিলোমিটার হিসেব করে এগুলো স্থাপন করেছে। যদি হিসেবে সামান্যও ভুল হতো তাহলে এগুলো চলমান থাকতোনা, একটার সাথে আরেকটার সংঘর্ষ ঘটে সৃষ্টির সাথে সাথেই তা আবার ধ্বংসও হয়ে যেত।

আপনার রেটিং: None

ইহা কোন ইসলাম?

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, ‘একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক খেজুর বিক্রেতার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি খেজুরের স্তূপে হাত ঢুকিয়ে দেখলেন যে, উপরিভাগে শুকনো খেজুর দেখা গেলেও নীচের দিকে রয়েছে ভেজা খেজুর।

তিনি বললেন, ‘ওহে দোকানের মালিক! এটি কি? জবাবে দোকানী বলল, হে আল্লাহর রাসুল! বৃষ্টির কারণে এরূপ হয়েছে। এ কথা শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-

তুমি ভেজা খাদ্যশস্য ওপরে রাখলে না কেন? তাহলে তো ক্রেতাগণ এর অবস্থা দেখতে পেত (প্রতারিত হতো না)। যে ধোকা দেয় সে আমার উম্মতের মধ্যে গণ্য হবে না। (মুসলিম, মিশকাত)

টীকা:

বৃষ্টি ভেজা খেজুর কোন ক্ষতিকারক জিনিস নয়। কিন্তু তথাপি এ অবস্থা দেখে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন যে, “যে মানুষকে ধোকা দেয় সে আমার উম্মাতের দলভুক্ত নয়”।

এ যুগের ফরমালিন, সোডিয়াম সাইক্লামেট (যা দিয়ে এখন মিষ্টি বানানো হয়), ইথরিল, ইথাইনিল, কারবাইড ইত্যাদি দেখে রাসুল সা: কি বলতেন????

আপনার রেটিং: None

কল্কি অবতার

ভারতের এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ড: বেদ প্রকাশ তার “কল্কি অবতার এবং মোহাম্মাদ সাহেব” গ্রন্থে লিখেছেন: 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

নুহ আ: এর প্লাবন সম্পর্কে

“নির্দেশ হইল: হে যমিন! তোমার সব পানি গিলিয়া ফেল, আর হে আকাশ থামিয়া যাও। অত:পর পানি যমিনে বসিয়া গেল, ফয়সালা চুড়ান্ত হইয়া গেল। কিশতী জুদী পবতগাত্রে আসিয়া ভিড়িল.......” (সুরা হুদ, আয়াত ৪৪)

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

অধীনস্তদের ব্যাপারে সাবধান থাকুন

আলী ইবনু আবী তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন: জীবনের অন্তিত মুহুর্তে যে কথাগুলো রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মুখ থেকে উচ্চারিত হচ্ছিল তা হচ্ছে: “নামাজ, নামাজ এবং তোমাদের অধীনস্তরা”।

টীকা: 

১)‘তোমাদের অধীনস্তরা’ বলে সতর্কবানী উচ্চারণ করার কারন এই যে, কিয়ামাতের দিন কোন কোন মু’মিন বান্দা ভুরি ভুরি নেক কাজ নিয়ে হাজির হবে কিন্তু সেই সাথে তার আমলনামায় থাকবে অধীনস্তদের হক নষ্ট করার খতিয়ান। তখন এসকল মুমিনদের নেক আমল ঐসব মাযলুমদেরকে দিয়ে দেয়া হবে। ফলশ্রুতিতে, আমলনামায় ভুরি ভুরি নেক কাজ থাকা সত্বেও অনেকে জাহান্নামী হবে। 

২)এ যুগে ‘অধীনস্তরা’ বলতে বোঝানো হবে: ঘরের চাকর চাকরানী, হোটেলের বয়- বাবুর্চী থেকে শুরু এমন প্রতিটি শ্রমিক, কর্মচারী ও অধীন ব্যক্তি যারা তাদের নিয়োগকর্তা বা মালিকের কৃপাদৃষ্টির মুখাপেক্ষী।

অনুরুপভাবে এ সতর্কবানীর আওতায় আসবে রাষ্ট্রীয় সংস্থার এমন প্রতিটি কর্তা ও দায়ীত্বশীল ব্যক্তি যাদের কর্তৃত্বে ও যিম্মাদারীতে রয়েছে রাষ্ট্রের প্রজাসাধারনের হক বা অধিকারের বিষয়াবলী। 

আপনার রেটিং: None

মুক্তিপণ হিসেবে সে সবকিছু দিতে চাইবে

কুরআন কারিম থেকে..

“কিয়ামাতের দিন আসমান গলিত রুপার মতো বর্ণ ধারন করবে (অর্থাৎ বার বার রঙ পরিবর্তিত হবে) (৮) পাহাড়সমুহ রং বেরং এর ধুনিত পশমের মত হয়ে যাবে (৯) কোন পরম বন্ধুও বন্ধুকে জিজ্ঞেস করবেনা (১০) অথচ তারা একজন আরেকজনকে ঠিকই দেখতে পাবে, অপরাধী ব্যক্তি সেদিন আযাব থেকে নিজেকে বাচাবার জন্য মুক্তিপণ হিসেবে তার সন্তান সন্ততিকে (১১) স্ত্রীকে ও ভাইকে (১২) এবং তাকে আশ্রয়দানকারী জ্ঞাতি-গোষ্টীর সকল আপনজনকে (১৩)এমনকি পৃথিবীর সবকিছুই দিতে চাইবে (১৪) (সুরা আল মা’আরিজ)

আপনার রেটিং: None

সৌদী আরবের সাথে মিল রেখে রোজা/ইদ পালন অসম্ভব

যে কারনে সৌদী আরবের সাথে মিল রেখে রোজা/ইদ পালন অসম্ভব

21 April 2019

অধুনা বাংলাদেশের কতক লোক সৌদী আরবের সাথে মিল রেখে একই দিনে রোজা, ইদ ইত্যাদি উদযাপন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কিন্তু এটি কিভাবে সম্ভব? সৌদী আরবের সাথে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য, বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, গ্রামাঞ্চলে খবর প্রদানের জটিলতা – এ বিষয়গুলোকে সামনে রাখলে এব্যবস্থা আদৌ বাস্তবায়নযোগ্য মনে হয় কি?

আমি সৌদী আরবে ছিলাম ৩১ বছর। দীর্ঘ এ সময়ে, কোন কোন বছর এমন হয়েছে যে,  রোজার ইদের চাদ দেখার খবর সংবাদ মাধ্যমে এসেছে মাগরিবের এক থেকে দেড় ঘন্টা পর। 

মনে করুন: আকাশ মেঘলা থাকার কারনে সৌদী আরবে চাদ দেখার খবর প্রকাশিত হলো রাত ৮টায়। এর মানে হচ্ছে বাংলাদেশে এ সংবাদ পৌছাবে রাত ১১টায়। ঢাকা শহরে না হয় আপনি ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে এখবর পৌছে দিলেন। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে? ধরুন, আপনি তাদের নিকট অবশ্যই খবরটা ঐ রাতে পৌছাবেন। আপনাকে রাত ১টা ২টা অবধি শত শত ফোন করতে হবে, বাড়ী বাড়ী যেতে হবে। তাই নয় কি?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

শাসক ও বিচারকদের ব্যাপারে

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তিন প্রকার বিচারক রয়েছে। এর মধ্যে এক প্রকার জান্নাতে এবং দু’প্রকার জাহান্নামে যাবে।

যে বিচারক সত্যকে জানতে পেরেছে এবং সে অনুসারে বিচার ফয়সালা করেছে, সে জান্নাতে যাবে। যে বিচারক সত্যকে উপলব্ধি করেও স্বার্থ বা ক্রোধবশত অবিচার করেছে সে জাহান্নামে যাবে। আর যে বিচারক অজ্ঞতা সত্বেও বিচার ফয়সালা করেছে সে-ও জাহান্নামে যাবে। সাহাবীগন জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসুল, সে-তো অজ্ঞতাবশত রায় দিয়েছে, সে কেন জাহান্নামে যাবে? রাসুল সা: বললেন: তার অপরাধ হলো: সে না জেনে কেন রায় দিতে গেল” (বর্ণনাকারী: বুরাইদা রা:, মুসতাদরাক হাকিম)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন: “দুনিয়াতে দশজনেরও নেতা বা দায়িত্বশীল ছিল এমন ব্যক্তিকে কিয়ামাতের দিন এরুপ অবস্থায় উত্থিত করা হবে যে, তার দু’হাত তার গলার সাথে বাধা থাকবে। অত:পর, হয় তার ন্যায়বিচার তাকে এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিয়ে জান্নাতে প্রেরণ করবে অথবা তার অবিচার তাকে এ অবস্থায়ই জাহান্নামে নিয়ে যাবে”। (মুসনাদ আহমাদ, ইবন হিব্বান)

আপনার রেটিং: None

তাওবা

কুরআন কারিম থেকে..

“আল্লাহর কাছে তাওবা কবুল হবার অধিকার একমাত্র তারাই লাভ করে যারা অজ্ঞতার কারনে কোনো খারাপ কাজ করে বসে এবং তারপর অতি দ্রুত তাওবা করে। এধরণের লোকদের প্রতি আল্লাহ আবার তার অনুগ্রহের দৃষ্টি নিবদ্ধ করেন এবং আল্লাহ সমস্ত বিষয়ের খবর রাখেন, তিনি জ্ঞানী ও সবজ্ঞ। কিন্তু তাওবা তাদের জন্য নয়, যারা পাপ করে যেতেই থাকে, এমনকি মৃত্যুর সময় এসে গেলে বলে, আমি এখন তাওবা করলাম। অনুরুপভাবে তাওবা তাদের জন্যও নয়, যারা মৃত্যুর সময় পযন্ত কাফির থাকে..... (সুরা আন নিসা, আয়াত ১৭-১৮)

আপনার রেটিং: None
Syndicate content