'বজ্রকণ্ঠ' -এর ব্লগ

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তারিক রামাদান ফ্রান্সে প্রহসনের বিচারের শিকার হচ্ছেন -ড. চন্দ্র মুজাফফর


অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশ্ববিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত তারিক রামাদান কারাগারে নানা রোগে কাবু হয়ে পড়েছেন।

আদালত জামিনে মুক্তি দিতে অস্বীকার করায় তাকে গরাদের ভেতরে থেকেই চিকিৎসা নিতে হবে।

ফ্রান্সে দুই নারী তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করলে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তারিক রামাদান আটক করা হয়। এর পর আরও এক নারী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

ফেব্রুয়ারিতে স্বাস্থ্যজনিত কারণে তার মুক্তির দাবি জানালেও ফরাসি আদালত তা নাকচ করে দিয়েছেন।

কারা চিকিৎসকরা বলছেন, তার চিকিৎসা কারাগারেই সম্ভব।

তবে রামাদানের আইনজীবী বলেন, তিনি বিভিন্ন ধরনের কাঠিন্যতায় (এমএস) ও স্নায়ুজনিত সমস্যায় ভুগছেন। কারাগারের ভেতরে যার চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে না। কাজেই তাকে মুক্তি দেয়া দরকার।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

কাফেররা মুসলমানদের মারার জন্য এক হইতে পারলো মুসলমানরা তাদের ভাইবোনদের বাঁচানোর জন্য এক হইতে পারলো না

খবরটা দেখে থমকে গেলাম। যারা মার খাচ্ছে তাদের জঙ্গী আখ্যা দিয়ে তাদের দমনে ভারত মায়ানমারকে সমর্থন ও সহযোগিতার নিশ্চয়তা দিচ্ছে।
অথচ বিশ্বজুড়ে মুসলমান সরকারের অভাব নেই। তারা কি করছে?

খবরটা এরকম: (কপি)

মিয়ানমার সরকারের পাশে থাকার দৃঢ় সমর্থন ভারতের


28 Aug, 2017

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা
জঙ্গীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। সেই সঙ্গে দেশটি জানিয়েছে,
তারা মিয়ানমার সরকারের পাশে থাকবে।

দিনকয়েক আগে মায়ানমারের
উত্তরের রাখাইন প্রদেশে নিরাপত্তাবাহিনীর সীমান্ত চৌকি অবরোধ করে ব্যাপক
হামলা চালিয়েছে রোহিঙ্গা জঙ্গিরা। একাধিক নিরাপত্তা জওয়ান সমেত অন্তত
নব্বই জন এর বলি হয়েছেন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

থানা হাজতে অছি প্রদীপ কুমারের লোমহর্ষক নির্যাতনের কাহিনী। (চট্টগ্রাম মহানগরী শিবির সদস্য সাব্বির ভাইয়ের কাহিনী)-লোকমান বিন ইউসুফ

পর্ব 1: দাঁত মুখ খিঁচে চোখ বন্ধ করে প্রস্তুত হয়ে আছি। এই
প্রস্তুতি গুলি খাওয়ার প্রস্তুতি। ডুশ করে একটা শব্দ হলো, আর আমার মনে হলো
কিছু একটা জিনিশ যেন আমার ডান পায়ের মধ্যে ঢুকে গিয়েছে। চোখ খুললাম,
দেখলাম, আমার ডান উরুতে প্যন্ট ছিড়ে পতাকার মত উড়ছে আর গলগল করে লাল গরম
রক্ত বের হচ্ছে।

এর আগে চারদিকে যখন পুলিশ ঘিরে ফেলে তখন উপায়ন্তর
না দেখে একটি মসজিদে আশ্রয় নিলাম, মসজিদ থেকেই ওসি প্রদীপ কুমার দাস আমাকে
ধরে ফেলে। তারপর মসজিদ থেকে বের করে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি দিতে থাকে,
গুলি করব.. গুলি করবো...

আমি ভাবলাম এত লোকের সামনে নিশ্চয় গুলি
করবে না। কিন্তু যখন ঠিক মাথার এক ইঞ্চি উপর দিয়ে একটা ফাঁকা ফায়ার করে,
বুলেটের বাতাসে যখন চুল উড়ছিলো, তখনি বুঝলাম এই লোকের বিশ্বাস নেই.. গুলি
সে করে ফেলতেই পারে....

............ চলবে..............

পর্বঃ ২

মাথায়
গুলি ঠেকিয়ে আছে.... ভাবছি এই মুহুর্তে গুলি করলে কি হবে......।। আবার
ভাবছি, না, মনে হয় গুলি করবে না। আচ্ছা গুলি করলে তো মারা যাব... এটা

আপনার রেটিং: None

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের আহ্বান : গণহত্যা তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করুন : সরকার আমার দেশ বন্ধ করে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে

গত ৫ ও ৬ মে ঢাকা ও দেশের অন্যত্র হেফাজতে ইসলামের বিপুলসংখ্যক মানুষকে হত্যার জন্য অবিলম্বে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নিউইয়কর্-ভিত্তিক খ্যাতনামা মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। স্বাধীন তদন্ত কমিশন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত না হলে বাংলাদেশে একের পর এক রক্তপাতের ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে সংস্থাটি।
গতকাল এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলছে, ‘৫ ও ৬ মে ঢাকাসহ অন্যত্র হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভে বিপুলসংখ্যক মানুষের মৃত্যু এবং আহতের বিষয়টি তদন্তের জন্য অবিলম্বে বাংলাদেশ সরকারের উচিত একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করা।’ ওই কমিশনের উচিত হবে ফেব্রুয়ারি, মার্চ এবং এপ্রিল মাসে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে নিহতের ঘটনাগুলোও তদন্ত করা। বিবৃতিতে বলা হয়, ৫ ও ৬ মে ঠিক কত লোক নিহত হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। সরকার দাবি করছে, নিহতের সংখ্যা ১১ জন। কিন্তু হেফাজতে ইসলাম বলছে, কয়েক হাজার নিহত হয়েছে। নিরপেক্ষ সংবাদ সূত্র বলছে, নিহতের সংখ্যা প্রায় ৫০। আহত হয়েছে আরও অনেকে। নিহতদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও রয়েছে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (টি রেটিং)

গণমাধ্যমের জন্য বিষণ্ন সময় -আ তা উ স সা মা দ

মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতারের মাধ্যমে সরকার সরাসরি আঘাত করেছে সংবাদ মাধ্যমের উপর। স্বাধীনতার সুরক্ষায় গণমাধ্যমকে স্বাধীন থাকা জরুরী। সরকার মূলতঃ এর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলে কুঠারাঘাত হেনেছে।

[২০১০ সালের ১ জুন দৈনিক আমার দেশ বন্ধ এবং সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতারের পর তত্কালীন উপদেষ্টা সম্পাদক প্রখ্যাত সাংবাদিক আতাউস সামাদ ‘গণমাধ্যমের জন্য বিষণ্ন সময়’’ শিরোনামে একটি উপসম্পাদকীয় লিখেছিলেন। গতকাল সকাল ৯টায় মাহমুদুর রহমানকে আবারও গ্রেফতার করা হয়েছে। সাংবাদিক আতাউস সামাদ বেঁচে নেই। তার এ লেখাটি প্রাসঙ্গিক হবে বিবেচনা করে পুনঃপ্রকাশ করা হলো]

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

সময়ের দর্পনে দেশ ও স্বাধীনতা যেন এক মহামূল্যবান পণ্য

যাত্রাবাড়ীর বাড়ীগুলো পেরিয়ে একদিন যখন মাঠে নেমে যেতাম তখন মনে হত ঢাকা শহর পেরিয়ে এসেছি। এখন আর তা মনে হয় না। দিন বদলে গেছে। বদলে গেছে অনেক কিছুই। বদলাবে আরো আরো এবং বদলাতে থাকবেই। সবুজ ঘাসে ভরা মাঠে মাঠে লাল লাল ইটেদের দৌরাত্ম্য। প্রকৃতি যেন ক্রমশ: জীব থেকে জড়তে রূপান্তরিত হচ্ছে। কতই না পরিবর্তন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)
Syndicate content