'শাহেদ ইউপিএস' -এর ব্লগ

হাশরের ভয়াবহতা নিয়ে কিছু কথা পর্ব ০১

হাশরের মাঠের পরিস্থিতি হবে অত্যন্ত ভীতিকরঃ

   আয়েশা
(রাঃ) হতে বর্ণিত আছে,

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

হাশরের মাঠের দৃশ্য ও হাশরের দিন মানুষের ব্যস্ততাঃ

হাশরের মাঠে সমস্ত মাখলুককে হিসাব এবং তাদের মাঝে সুবিচারের জন্যে একত্রিত করা হবে। এদিন হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। কুরআন ও হাদীছে এদিনের ভয়াবহতা বর্ণনা করা হয়েছে। নিম্নে কুরআন ও সুন্নার আলোকে কিয়ামত ও হাশরের মাঠের আংশিক চিত্র তুলে ধরা হল। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ 
يَوْمَ تُبَدَّلُ الْأَرْضُ غَيْرَ الْأَرْضِ وَالسَّمَاوَاتُ وَبَرَزُوا لِلَّهِ الْوَاحِدِ الْقَهَّارِ 
অর্থঃ “সেদিন পরিবর্তিত করা হবে এপৃথিবীকে অন্য পৃথিবীতে এবং পরিবর্তিত করা হবে আসমানসমূহকে এবং লোকেরা পরাক্রমশালী এক আল্লাহর সামনে হাজির হবে। (সূরা ইবরাহীমঃ ৪৮) হাশরের নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
يُحْشَرُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى أَرْضٍ بَيْضَاءَ عَفْرَاءَ كَقُرْصَةِ نَقِيٍّ لَيْسَ فِيهَا مَعْلَمٌ لِأَحَدٍ 
অর্থঃ “কিয়ামতের দিন সাদা ময়দার রুটির মত চকচকে একটি মাঠের উপর সমস্ত মানুষকে একত্রিত করা হবে। সেখানে কারও কোন নিশানা থাকবে না। (বুখারী: কিতাবুত রিকাক)

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

মরণের সময় মুমিনের অবস্থাঃ

বারা’ বিন আ’যিব (রাঃ)এর হাদীছে মানুষের মৃত্যুকালীন অবস্থার পূর্ণ বিবরণ এসেছে। এতে মুমিন, কাফের এবং পাপী সকল মানুষের অবস্থাই বর্ণিত হয়েছে। পাঠক ভাই-বোনদের কাছে হাদীছের ভাষ্যটি তুলে ধরছি।

বারা’ বিন আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে জনৈক আনসারী সাহাবীর জানাযায় শরীক হওয়ার জন্যে বের হলাম। তখনও কবরের খনন কাজ শেষ হয়নি। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিবলামুখী হয়ে বসে পড়লেন। আমরাও তাঁর চারপাশে বসে গেলাম। তাঁর হাতে ছিল একটি কাঠি। তা দিয়ে তিনি মাটিতে খুঁচাতে ছিলেন এবং একবার আকাশের দিকে তাকাচ্ছিলেন আর একবার যমিনের দিকে মাথা অবনত করছিলেন। তিনবার তিনি দৃষ্টি উঁচু করলেন এবং নীচু করলেন। অতঃপর বললেনঃ “তোমরা আল্লাহর কাছে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাও। কথাটি তিনি দু’বার অথবা তিনবার বললেন। অতঃপর তিনি এই দু’আ করলেনঃ

(أَللَّهُمَّ إِنِّى أَعُوْذُبِكَ مِنْ عَذاَبِ الْقَبْرِ)

অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাই।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

একজন মুসলিমের ব্যক্তিত্ব কেমন হওয়া উচিত?

প্রিয় বন্ধু, মুসলিম হওয়া নি:সন্দেহে বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার। ইসলাম আমাদের গর্ব। ইসলাম আমাদের মর্যাদার প্রতীক। এর মাধ্যমেই  এ পার্থিব জগতে যেমন শান্তি ও সাফল্য পাওয়া যাবে ঠিক তদ্রূপপরকালিন জীবনে পাওয়া যাবে জাহান্নাম থেকে মুক্তির নিশ্চয়তা। কিন্তু আজ অনেক মুসলিম পরিচয় দিতে হীনমন্যতায় ভোগে। এর কারণ, ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকা। ইসলামের সৌন্দর্য মণ্ডিত দিকগুলোর ব্যাপার ওয়াকিবহাল না থাকা। যার কারণে তার মাঝে ইসলামি ব্যক্তিত্বের ছোঁয়া পরিলক্ষিত হয় না। অত:এব আসুন, আমরা ইসলামী জীবন আদর্শকে বুকে ধারণ করি এবং সেই আলোকে গড়ে তুলি আমাদের লাইফ স্টাইল এবং ব্যক্তিত্বকে।

এখানে একজন মুসলিমের ব্যক্তিত্ব কেমন হওয়া উচিত সে ব্যাপার কয়েকটি পয়েন্টে তুলে ধরা হল:

মুসলিম ব্যক্তি সর্বদা সত্য কথা বলবে। মিথ্যা কখনই বলবে না।

সে কখনো প্রতারণার আশ্রয় নিবে না। সে হবে বিশ্বস্ত এবং  আস্থা ভাজন।

সে অগোচরে কারো সমালোচনা করবে না বা কারো সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করবে না।

সে হবে সাহসী। কাপুরুষতাকে সে ঘৃণা করবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (কালেমা তাইয়েবা) মেনে চলার শর্তাবলী

এক : কালেমা তাইয়েবার অর্থ জানা। 

অর্থাৎ এ কালেমার দুটো অংশ রয়েছে তা পরিপূর্ণভাবে জানা। 

সে দুটো অংশ হলো: 

1. কোন হক মা’বুদ নেই 

2. আল্লাহ ছাড়া (অর্থাৎ তিনিই শুধু মা’বুদ) 

দুই : কালেমা তাইয়েবার উপর বিশ্বাস স্থাপন করা। 

অর্থাৎ সর্ব-প্রকার সন্দেহ ও সংশয়মুক্ত পরিপূর্ণ বিশ্বাস থাকা। 

তিন : কালেমার উপর এমন একাগ্রতা ও নিষ্ঠা রাখা, যা সর্বপ্রকার শিরকের পরিপন্থী। 

চার : কালেমাকে মনে প্রাণে সত্য বলে জানা, যাতে কোন প্রকার মিথ্যা বা কপটতা না থাকে। 

পাঁচ : এ কালেমার প্রতি ভালবাসা পোষণ এবং কালেমার অর্থকে মনে প্রাণে মেনে নেয়া ও তাতে খুশী হওয়া। 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (5টি রেটিং)

আপনি কি ধুমপায়ী? তাহলে দেখুন ধুমপানের ৪১টি ক্ষতিকর দিক।.....পর্ব ০১

ধুমপানের ক্ষতিকর দিকগূলো:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

হাদীসের সংক্ষিপ্ত পরিভাষা যা আমাদের সকলের জানা উচিৎ

সহীহ হাদীস: যে মুত্তাসীল হাদীসের
সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীঈ পূর্ন আদালত ও যাবতা গূন সম্পন্ন এবং হাদীসটি
যাবতীয় দোষ-ত্রুটি মুক্ত।

হাসান: যে হাদীসের কোন রাবীর
যারতগুনে পরিপুর্নতার অভাব রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। কিকহবিদগণ সাধারনত সহীহ
ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীআতের বিধান নির্ধারন করেন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

হাশরের প্রথম প্রশ্ন ছলাত: আপনি কি প্রস্তুত?

আজকের পোস্টে ছয়টি বিষয় আলোচিত হয়েছে:

১) ছলাতের শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেগুলো নামাজ পড়া অবস্থায় অবহেলা করা হয়।

একজন মুসলমানের উপর নামাজ পড়া অবশ্য কর্তব্য। নামাজ পড়তে যেয়ে আমরা না জানার কারণে কিংবা জেনেও না মানার কারণে কতগুলো বিষয় অবহেলা করি আর যার কারণে আমাদের নামাজগুলো যথার্থরুপে সম্পাদন করা হয় না। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হচ্ছেঃ 

*নামাজে একাগ্রতা ও নিষ্ঠা পরিত্যাগ করা 
*নামাজে অনর্থক নড়াচড়া করা 
*ইচ্ছাকৃত ভাবে নামাজে ইমামের পূর্বে আগে বেড়ে কাজ করা 

বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানা একজন মুসলিমের জন্য অতীব প্রয়োজনীয়। তাই বিষয়গুলো সম্পর্কে নীচে আলোচনা করা হল। 

নামাজে একাগ্রতা ও নিষ্ঠা পরিত্যাগ করা 

সবচেয়ে বড় চুরি হলো নামাজে চুরি করা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ 
�সবচেয়ে জঘন্য চোর হল যে তার নামাজে চুরি করে। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! কিভাবে নামাজে চুরি করে? তিনি বললেন, রুকু ও সিজদা পূরা করে না� (আহমাদ ৫/৩১০; সহীহ আল-জামে ৯৯৭ 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

মদ পান করার শাস্তি-কোরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে

কোরআনের আয়াত: 
১  লোকেরা তোমাকে জিজ্ঞেস করে মদ ও জুয়া সম্পর্কে। তুমি বল: উভয়ের মধ্যে আছে মহাপাপ এবং উপকারও আছে মানুষের জন্য, তবে এদের পাপ উপকারের চেয়ে অধিক। [সূরা বাকারা-২১৯] 
২  ওহে যারা ঈমান এনেছ! মদ, জুয়া, মুর্তিপূজার বেদী এবং ভাগ্য নির্ণায়ক তীর তো ঘৃন্য বস্তু, শাইতানের কাজ। অতএব তোমরা সব বর্জন কর যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। [সূরা মায়িদা-৯০] 
৩  শাইতান তো তোমাদের মাঝে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাতে চায় মদ ও জুয়ার মাধ্যমে এবং তোমাদের বাধা দিতে চায় আল্লাহর স্মরণ থেকে ও সালাত থেকে। তবুও কি তোমরা নিবৃত্ত হবেনা? [সূরা মায়িদা-৯১] 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)
Syndicate content