'আনোয়ারুল হক খান' -এর ব্লগ

জোছনা ও বৃষ্টি পাগল স্বপ্ন দেখানো মানুষটির আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

‘জোছনা আমার অতি প্রিয় বিষয়। প্রতি পূর্ণিমাতেই নুহাশপল্লীতে যাই জোছনা
দেখতে, সঙ্গে পুত্র নিষাদ, নিনিত এবং তাদের মমতাময়ী মা। প্রবল জোছনা আমার
মধ্যে একধরনের হাহাকার তৈরি করে। সেই হাহাকারের সন্ধান করে জীবন পার করে
দিলাম।’হুমায়ূন আহমেদ ২০১২ সালে প্রকাশিত বইয়ের মলাটে নিজেই লিখেছেন।
আরেকটা বইয়ে  লিখেছিলেন, ‘চাঁদনি পসর রাতে যেন আমার মরণ হয়, এই গানটির কথা।
লিখেছিলেন, এই গানটা তাঁর খুব প্রিয়। আর, তিনি প্রবল জোছনার তোড়ে ভেসে
যাওয়া কোনো রাতে মারা যেতে চান। চন্দ্রকথা ছবিতে তার লেখা, সুর করা আবেগি
গান থেকেও আমরা সেটা খুঁজে পাই -

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (টি রেটিং)

বাবাকে নিয়ে চলন্তিকাতে লিখুন !

কয়েক দিন পরই আসছে বাবা দিবস (১৬ই জুন)। এই বিশেষ দিবসকে সামনে রেখে ভ্রমন ও সাহিত্য বিষয়ক একটি নতুন ব্লগ  চলন্তিকা আপনাদের বাবাকে নিয়ে লিখতে অনুরোধ করছে।  আপনার বাবাকে জড়িয়ে কোন স্মৃতি বিজড়িত কাহিনী, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, কবিতা, ছড়া যে কোন কিছু চলন্তিকাতে লিখুন। বাবাকে নিয়ে প্রতিটা লেখা স্টিকি করা হবে, তবে সে ক্ষেত্রে একজন লেখকের একটি লেখাই স্টিকি করা হবে এবং তা কমপক্ষে ৬ ঘন্টা স্টিকিতে থাকবে। আর লেখকের আইডিতে ছদ্ম নাম ব্যবহার করা যাবে না, আইডি নিজের সত্যিকারের নামে হওয়া বাঞ্ছনীয়। সাথে সাথে লেখকের প্রোফাইলে তার নিজের সম্পর্কে লেখা থাকতে হবে। সেরা লেখাগুলি আগামী মাসের (ই-বুক) চলন্তিকা সাহিত্যপত্রে স্থান পাবে।

তবে সেরা লেখা নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্টিকি করা লেখাগুলোই যে দেখা হবে তা না। তাই আপনারা ইচ্ছামত লিখতে পারেন। সেখান থেকেও সেরা লেখা নির্বাচন হতে পারে।

আপনার রেটিং: None

ভ্রমন ও সাহিত্য বিষয়ক একটি নতুন ব্লগ: চলন্তিকা

ভ্রমন ও সাহিত্য বিষয়ক একটি নতুন ব্লগ চালু হয়েছে, এটা এখন পরীক্ষামূলক ভাবে চলছে। প্রতিমাসের সেরা লেখকরা পাবেন মোবাইল এ ফ্লেক্সিলোড। এছাড়া রয়েছে সাহিত্য পদক জেতার সুযোগ। এছাড়া রয়েছে বেশ কিছু নিয়মিত প্রকাশনা। বিস্তারিত জানতে এখনই লগ ইন করুন http://cholontika.com/

 

পুরুস্কার পদ্ধতি-

 

পয়েন্টের ক্রমানুসারে প্রথম ৫ জনকে প্রতি মাসে যত পয়েন্ট তার ৫ শতাংশ হিসেবে টাকা সম্মানী স্বরূপ তাদের মোবাইল ফোনে দেওয়া হবে। লেখকদের লেখার সম্মানী হিসাবে এটা হয়ত কিছুই না। তারপরও চলন্তিকার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস নবীন লেখকদের নিশ্চয়ই উৎসাহ দিবে। পুরুস্কারের ক্ষেত্রে লেখকদের অবশ্যই ঐ মাসে কমপক্ষে ১০টি লেখা থাকতে হবে। প্রতিমাসের ২৫ তারিখের পর যেকোন সময় ঐ মাসের পয়েন্টের ফলাফল ঘোষণা করা হতে পারে। প্রথম পুরুস্কার দেওয়া হবে জুলাই (জুন মাসের) মাসের প্রথম সপ্তাহে। এই পৃষ্ঠাতে প্রতি মাসের ফলাফল আপডেট করা হবে।

 

নিয়মিত প্রকাশনা

 

আমরা নিয়মিত যেসব প্রকাশনা করে যাব-

আপনার রেটিং: None

সৃষ্টি সুখের উল্লাসে কাঁপা- ‘মহান বিজয় দিবস’ আজ

(উৎসর্গঃ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার জন্য শুরু হয়েছিল যে প্রাণপণ যুদ্ধ, তার অবসান ঘটে ১৬ ডিসেম্বর- আমাদের চূড়ান্ত বিজয়ের মধ্য দিয়ে। কিন্তু এ বিজয় এসেছিল এক সাগর রক্তের বিনিময়ে। তাই বিজয়ের আনন্দের বিপরীতে আছে স্বজন হারানোর বিষাদ। বিজয় দিবসের প্রভাতে শহীদদের উদ্দেশে আমরা বলি: আমরা তোমাদের ভুলব না।)

'একটি বাংলাদেশ, তুমি জাগ্রত জনতার/ সারা বিশ্বের বিস্ময়, তুমি আমার অহংকার...।' একাত্তরের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাক, ২৫ মার্চ কালরাতের পর জাগ্রত জনতার গর্জে ওঠা; তারপর ৯ মাসের রক্তস্নাত সংগ্রাম শেষে ১৬ ডিসেম্বর বাংলার আকাশে বিজয়ের লাল সূর্যোদয়-সত্যিই এ এক বিস্ময়। এ এক অহংকার। আজ সেই বিজয়ের দিন। এই দিন গোটা বিশ্ব অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখেছে পৃথিবীর মানচিত্রে একটি নতুন দেশের অভ্যুদয়; রচিত হয়েছে বাঙালি জাতির বীরত্বের অধ্যায়। সেই মহান বিজয়ের আজ ৪১তম বার্ষিকী।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

ধারাবাহিক বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি “ঘরে ফেরার গান” (ক্রম- ২)


“তুমি কিভাবে বুঝলে আমি এখানে?” মাইক জানতে চাইল।

“তোমার ঘর খালি দেখে মনে হল
তুমি হয়তো এখানে।”

মাইক কিছুই বলল না,
শুধু একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল।

সানি তরল গলায় হেসে প্রশ্ন করল, “আমি কখনো বুঝতে পারি না তুমি কেন প্রতিদিন অর্থহীনভাবে এখানে বসে সূর্যাস্ত দেখ?”

মাইক কিছু না বলে শুধু হাসল।

“তুমি যে অর্বাচীনের মত কাজ কর, এটা তো কোন বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক নয়।” সানি এবার যেন একটু কঠোর হল। এবারও মাইক কিছু বলল না। শুধু হাসল। বয়স্করা শিশুদের মজার মজার প্রশ্ন শুনে যেভাবে হাসে মাইকও ঠিক সেভাবেই হাসল।

“তুমি কি মনে কর, তোমার এই অদ্ভুত আবেগের কোন মানে আছে?” সানি জানতে চায়। ওরা তখন ডান দিকের সিঁড়িঁ বেয়ে নেমে সামনের ছোট্ট হলঘরে এসে হাজির হলো।

ঢুকতেই দেখা গেল সাইরাজ প্রাচীন বৃক্ষের ফসিল দিয়ে বানানো আসনে বসে গোলাকৃতি গ্রানাইটের টেবিলের উপর মাথা ঠেকিয়ে রয়েছে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

ধারাবাহিক বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি “ঘরে ফেরার গান” (ক্রম- ১)

১.
দক্ষিণ প্রশান্তমহাসাগরীয় পর্বতাবৃত অঞ্চলের দুটি বৃহৎ পর্বতের মাঝের উপত্যকায় রয়েছে মানুষের বসতি, যা একটি বৃহৎ এবং সুন্দর ভবনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। অথচ হঠাৎ করে ভবনটিকে চোখে পড়ে না। স্থাপত্যশৈলীতে অসাধারণ কোন বৈশিষ্ট্য না থাকলেও আধুনিক উপকরণের কোন অভাব নেই। এর প্রবেশপথ যেমন কঠোর ভাবে সংরক্ষিত তেমনি জীবনযাপনের পদ্ধতিও অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত। কোন বাহুল্যতা নেই, তেমনি নেই কোন বিশৃঙ্খলা। আছে সুন্দর, পরিশুদ্ধ, আয়েশী অথচ প্রায় বন্দী এক পরিবেশ। আরও রয়েছে, স্বপ্ন ও স্বপ্নভঙ্গের গল্প, আছে আগামী দিনের হতাশামূলক আশা আর একঘেয়ে বিরক্তিকর জীবন। ভবনটির ছাদে রয়েছে একটি বৃহৎ হলঘর, যা নির্মিত হয়েছে কোয়ার্টজ দিয়ে, যার উপরিভাগ তৈরি স্বচ্ছ মোটা কাচ দিয়ে।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

ধারাবাহিক বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি “রুনের ঘটনাপঞ্জী” (ক্রম-২)

এক/
অপেক্ষার প্রহর অনেক কষ্টের।

ধৈর্যেরও।

সাতটা দিন রুনের খুব অস্থিরভাবে কাটে। বিজ্ঞানী জেডনের সাথে একজন প্রায়শূণ্য মহাকর্ষবলীয় এলাকা ঘুড়ে এসেছেন, এমন একজন আসছেন। নোরা নক্ষত্রপুঞ্জ, বৃত্তাকারে ঘুড়ে বেড়ানো কয়েক কোটি মাইল বিস্তৃত ধূমকেতু, পর পর দশটি মৃত নক্ষত্র, নক্ষত্রের কবরস্থান, মহাকাশে হটাৎ করে সৃষ্টি হওয়া মহাজ্যোতি, তারপর বিকশমান আরেকটি প্রাণীজগৎ কিংবা নতুন কোন বিশ্বব্রাম্মান্ড- ইত্যাদি রুন শুধু গ্যালাকটিক পোর্টালেই পড়েছে, আজ হয়ত মুখোমুখি বসে একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনাও শুনতে পারবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

ধারাবাহিক বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি “রুনের ঘটনাপঞ্জী”

ধারাবাহিক বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি “রুনের ঘটনাপঞ্জী”

(ব্লগ এ নাম লেখালাম। কি লিখব কি লিখব ভেবে ভেবে একটা বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি লেখা শুরু করলাম। )

শেষবার যখন পরিবেশ পরিবর্তন হয়ে গেল তখন রুনের বাবা এক অজ্ঞাত অসুখে হটাৎ করেই মারা যান। রুনের বাবা ছিলেন বসতির দলপতি। বসতিটি খুব একটা বড় নয়। নামও নেই। কদিন আগেও সংখ্যা দিয়ে বুঝানো হতো। ইদানিং ত্রিনার বলে গ্যালাকটিক মানচিত্রে দেখানো হচ্ছে। জনসংখ্যায় মাত্র একশত সায়ত্রিশ। এ-রকম কয়েক হাজার বসতি সৌরজগতের এই প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ইউরেনাস ও নেপচুনের মধ্যবর্তী একটি অ্যাস্ট্ররয়েডকে নিয়্ন্ত্রনে নিয়ে প্রায় অর্ধশতাব্দী পূর্বে এই বসতিটি স্থাপনের উদ্যোগ করেন রুনের দাদা। যদিও বসতিটি কেন্দ্রীয় কমিশন কতৃক নিয়ন্ত্রিত, তারপরও এরকিছু নিজস্ব নিয়মকানুন রয়েছে। আর সেকারনেই বসতির পরবর্তি দলপতি রুন। বয়স কম, তাই রুনের পরিবর্তে রুনের মা লিহা আপাতত নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আর মাত্র দুই সৌরবছর পর রুন বসতির দায়িত্ব নিয়ে নেবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)
Syndicate content