'আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব' -এর ব্লগ

আমার ঈদ ভাবনা

দশ দিন পর বাড়ি ফেরা। মনটা হালকা বেশ। কিছুটা ভারীও!! বাড়ির সামনে আসতেই
মূল ফটকের সামনে রজনীগন্ধাটা বেশ সুন্দর একটা হাসি দিয়ে স্বাগত জানালো
আব্বু এবং আমাকে। হাতের ডান পাশে কিছু টগর আমাদের সামনেই ঝরে পড়লো। অবশ্য
ফুলগুলো প্রায়ই ঝরে, তবে এই মুহূর্তে সেটা আমাদের কাছে অভিবাদনই মনে হলো!
খুব ছোটবেলায় সুঁই সুতোর সাহায্যে টগর ফুল দিয়ে মালা গেঁথেছিলাম শখের
বশে। এখন তারা আবারও আমাকে সে কাজে আহ্বান জানাচ্ছে বুঝিবা!

বাড়িতে
ঢুকেই ছোট ভাই নাফিস বিশাল লাফ দিয়ে গলা জড়িয়ে ধরলো। সুন্দর একটা মুচকি
হাসি দিয়ে সালাম জানালো। ছোট বোন রোয়াইফার এখনো মুখ ফুটে নি। তবে আম্মুর
কোল থেকে আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দেওয়াতে ওর দীর্ঘ প্রতীক্ষার কথা বুঝতে
মোটেও বেগ পেতে হয় নি। এ হলো আমার ফেরা... সবাই হাসি-খুশি, ঈদ আনন্দে
মাতোয়ারা। সারা গ্রাম, বাড়িজুড়ে আনন্দের ফল্গুধারা।

পথে আসার
সময় সমবয়সীদের পটকা ফুটানো আর উল্লসিত বদনের লম্ফ-ঝম্ফ এবার বেশ টানতে
পারে নি। মসজিদ থেকে বের হয়ে বাড়ি আসা পর্যন্ত প্রতিটি কদম শুধু

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

শাওন কাব্য

undefined

খাঁ খাঁ করা রুক্ষতায় এক পশলার প্রতীক্ষার প্রহর
শেষ হয়েছে বলে-
প্রকৃতি কন্যার খুশি অনির্বচনীয়ই বটে!
গগনাশ্রুর বেয়ে পড়া ধারায় ওর
মুছে যাওয়া শুচিত্ব নাকি আবারো জেগে উঠবে!
ললাটের ভাঁজে জমে থাকা
গত দশ মাসের আবর্জনা আবারো
অর্ধচন্দ্রের মুখোমুখি হবে;
রিনিঝিনি ছন্দে নূপুর পায়ে এগিয়ে যাবে
ভাবুক হৃদয়ে ঝড় তুলতে।

পুরোপুরি 'ঝড়' নয়,
আমার হৃদয়ে অকস্মাৎ শ্রাবণের আবির্ভাবে হতচকিত হয়েছি;
অবিরাম বর্ষণের ঝংকৃত তালের সাথে
কানাকানি করার চেষ্টা করছি।
হাতজোড় করে বলি,
আমার সব ধুয়ে মুছে নিয়ে যেয়ো না...

তুমি সব পঙ্কিলতার জঞ্জাল ভাসিয়ে নাও,
অসুন্দরের দেয়ালে ঘাপটি মেরে বসে থাকা একঘেঁয়েমির প্রলেপ
মুছে দাও আলতো ছোঁয়ায় কিংবা রূঢ় পরশে।
তবে মুছে নিও না আমার অপাংক্তেয় পংক্তিগুলো,

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

অনুরোধ


যত্নের ত্রুটি অন্তত আমি খুঁজে পাই নি।

সাজিয়েছিলাম অবিশ্রান্ত ঐকান্তিকতায়।

তোমরা হয়তো অকস্মাৎ দৃষ্টিপাতে অবাক হবে একটুখানি,

এরপর বলবে, ‘এমনও হয়!’

দৃষ্টির সীমানার শেষ প্রান্তে উপস্থিত হয়ে তুমি জবাব খুঁজে পাবে

আমার ঝরে পড়া ঘামেই উর্বর মৃত্তিকা ধারণ করেছে শ্যামল আঙিনা,

-ঠিক এমনই সাক্ষ্য দেবে অবাক করা সজীবতা!

সুন্দরের টানে এখানে ছুটে এসেছিলো চঞ্চল হরিণীর দল

ওদের প্রাণময় নাচন হৃদয়ের বারিধিতে চেতনার ঢেউ তুলতো

মায়াবী চোখের প্রতি ভালোবাসা অব্যক্ত রেখে

শুধু অপলক দৃষ্টি ঘুরিয়েই তৃপ্তির ঢেকুর তোলতাম।

বলতে পারো, আমার চাওয়া অতটুকু-ই!

অসুন্দরের ছুঁড়ে দেয়া বিষ-বাণে ওরা ভীষণ আহত

খুন-ঝরাবার শখ ওদের নেই,

নেই আমারও।

উচ্ছ্বল হরিণীরা তাই এখানে আসে না আর

আমার শূন্যতার বৃত্তের পরিধি ক্রমশ বাড়তে থাকে।

দোহাই তোমাদের!

এখানে শিকারের আশায় এসো না।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

তোমরা ঘুমিয়ে থাকো, নিশ্চিন্তে.......

চোখ মেলে দেখি চারিদিকে শুধু পেছনে হটার ধুম

কিন্তু আমার আঁখিতে এখনো আসতে পারে না ঘুম

কি জানি কিসের নেশায় বিভোর হয়েছে আমার মন

কিসের ভাবনা কুরে কুরে খায় আমাকে প্রতিটি ক্ষণ!

জানিনা কিসের স্বপ্ন দেখেছি বলে আজ ঘুম-হারা

সবাই তো দেখি সুখেই, কখনো স্বপ্ন দেখে না যারা

একটু আরাম-আয়েশও হোক, এ হলো প্রাণের দাবি

তবু কেনো আমি জেগে থাকি শুধু নিশাচর হয়ে, ভাবি

আমি জেগে আছি, তাই বলে তুমি তাকিয়ে আমার পানে

একটি সুখের ঘুম দিতে আজ ভরসা পাচ্ছো প্রাণে!

আমার পাওয়া হলো শুধু সবে ঘুমে থাক নির্ভয়ে

আর আমি থাকি তাদের প্রাণের ' রক্ষাকবচ ' হয়ে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

রাত কেটে যায় আধ....

চাঁদের হাসির সঙ্গে আমিও প্রতি রজনীতে হাসি
কল্পলোকের ভাবনার নদে স্বপ্ন ভেলায় ভাসি
হৃদয়ের যতো কথা সব তাকে হেসে কেঁদে বলে যাই
কখনো শিল্পী হই বা কখনো ছন্দের ডালা পাই

জানালার ফাঁকে চাঁদ যেনো শুধু আমাকেই চেয়ে থাকে
আর থেকে থেকে হাতছানি দিয়ে গল্প করতে ডাকে
আসলে যখনি মায়ামাখা চাঁদ দেখে মোর দুই আঁখি
হৃদয়ের পটে একটি ছবিই আমি যে তখন আঁকি

চাঁদের মোহন রূপের মায়ায় রাত কেটে যায় আধ
আর ভেবে যাই কতো রূপ তার বানালেন যিনি চাঁদ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

ফিরিয়ে দাও

মেঘের গর্জনে ছেয়ে গেছে গ্রাসী অন্ধকার... 
আমাকে ফিরিয়ে দাও ঝকঝকে নীলাকাশ 

বারুদ আর মৃত শবের গন্ধে অসহ্য এ বাতাস, 
চাই না আমি.... 
আমাকে ফিরিয়ে দাও স্নিগ্ধ সুবিমল ভোরের সমীরণ..... 
প্রাণের উচ্ছ্বলতায় বাসনার সবটুকু উজাড় করে 
আমি একটি প্রশান্তির নি:শ্বাস নিতে চাই 

আমি ভুলে যেতে চাই 
অসুরের হুংকারে নিদ্রাহীন রজনী পার করার দু:সহ স্মৃতি, 
কুয়াশার জালে আবদ্ধ সূর্যালোক বড়োই কষ্টের; 
তাই বলি... 
একটি দিনমণি কি প্রত্যক্ষ করার সৌভাগ্য হবেনা, 
সোনালী দিনের প্রতিচ্ছবি যার কিরণে ভাসবে? 

বজ্রের আক্রোশে অনেক মুষ্ঠি 
আঘাত হেনেছে অন্ধকারের প্রকোষ্ঠে; 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

ঢাকার নামকরণ : ঐতিহাসিক পর্যালোচনা

রাজধানী ঢাকা। হাজারো বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্যের বাস্তব সাক্ষী হয়ে আজও শির উঁচু করে দাঁড়িয়ে। ইতিহাস থেকে যতদূর জানা যায়, মুসলিম শাসনের প্রথম দিকে ঢাকার অস্তিত্ব নিয়ে ঐতিহাসিকগণ অনিশ্চিত। সুলতানি আমলে এটি প্রথম নগর হিসেবে গড়ে উঠেছে এবং মোগল শাসনামলে ঢাকা প্রাদেশিক রাজধানীর মর্যাদা পাওয়ায় এর প্রসিদ্ধি ছড়িয়ে পড়ে। ইতিহাসে রাজধানী ঢাকার নামকরণে সুনির্দিষ্ট কোন মতামত পাওয়া দুষ্কর। তথাপি বিভিন্ন সূত্র থেকে মতামতগুলো পর্যালোচনা করার চেষ্টা করেছি এবং একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হবার দু:সাহস-ও করেছি! ঢাকার নামকরণ নিয়ে ইতিহাসবেত্তাগণ কয়েকটি অভিমত দিয়েছেন :

(১) এক সময় এ অঞ্চলে প্রচুর ঢাক গাছ ছিল, যার বৈজ্ঞানিক নাম Butea frondosa. অনেকের মতে, ঢাকা অঞ্চলের আশেপাশে প্রচুর পরিমাণে এ গাছ ছিলো।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

মুসলিম বিশ্ব সম্পর্কে জানুন

বিখ্যাত একজন বিজ্ঞানী বলেছিলেন, "জ্ঞান সমুদ্রের বেলাভূমিতে কেবল নুড়ি পাথর-ই কুড়ালাম, সমুদ্র অবগাহন তো অনেক দেরী।" ... সত্যিই জানার রাজ্যটা কিন্তু অনেক বেশি ব্যাপৃত। তথাপি থেমে নেই অদম্য বনি আদমের জ্ঞান স্পৃহার দুর্দমনীয় আগ্রহ। অজানার জগতকে সংকুচিত করার মানসে তাই সবাই এখন সচেতন। নতুন কিছু জেনে সবার সাথে শেয়ার করার দু:সাহস সেই ছোটবেলা থেকেই। ব্লগিং জগতে এসেও তাই এ ঐতিহ্য(!) যাতে ভঙ্গ না হয়, সে জন্য বরাবরই নিরন্তর প্রচেষ্টায় নিমগ্ন!  মুসলিম বিশ্বের খুঁটিনাটি কিছু তথ্য তাই উপস্থাপন করছি প্রিয় ব্লগারদের উদ্দেশে। সবার প্রতি আমার আন্তরিক আবদার, প্লিজ ভুলগুলো অবশ্যই শুধরিয়ে দেবেন। নতুন তথ্য যদি আপনার জানা থাকে, তাহলে আমাদের বঞ্চিত করবেননা, এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস!

চলুন তাহলে শুরু করা যাক মুসলিম বিশ্বকে জানার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা....

আয়তন :

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

ফিয়ার অব জেনারেল নলেজ! - ২

[সাধারণ জ্ঞান। বিশাল এক তথ্যভান্ডার। কথায় বলে সাধারণ জ্ঞান পাণ্ডিত্য অপেক্ষা অধিক মূল্যবান। বাট.. এতগুলো তথ্য একসাথে মনে রাখা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। অনেক সময় বোরিং ফীল হয়। সাধারণ জ্ঞানের এ ভীতি দূর করতে কোচিং ক্লাসে স্যার আমাদের প্রায়ই বিভিন্ন সাধারণ জ্ঞানের তথ্যাবলীকে একটি বিশেষ টেকনিকে আত্মস্থ করে দিতেন। আমার সাধারণ জ্ঞানের নোট থেকে ধারাবাহিক ভাবে আপনাদের সাথে সেসব শেয়ার করব ইনশাআল্লাহ। আপনাদের অভূতপূর্ব সাড়ায় আমি সত্যিই আনন্দিত। আজ দ্বিতীয় কিস্তি।]
-------------------------------

undefined

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

ফিয়ার অব জেনারেল নলেজ! - ১

[সাধারণ জ্ঞান। বিশাল এক তথ্যভান্ডার। কথায় বলে সাধারণ জ্ঞান পাণ্ডিত্য অপেক্ষা অধিক মূল্যবান। বাট.. এতগুলো তথ্য একসাথে মনে রাখা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। অনেক সময় বোরিং ফীল হয়। সাধারণ জ্ঞানের এ ভীতি দূর করতে কোচিং ক্লাসে স্যার আমাদের প্রায়ই বিভিন্ন সাধারণ জ্ঞানের তথ্যাবলীকে একটি বিশেষ টেকনিকে আত্মস্থ করে দিতেন। আমার সাধারণ জ্ঞানের নোট থেকে ধারাবাহিক ভাবে আপনাদের সাথে সেসব শেয়ার করব ইনশাআল্লাহ। আজ প্রথম কিস্তি]

Association of South East Asian Nations (ASEAN)
দক্ষিণ পূর্ব এশীয় জাতিসমূহের সংস্থা (আসিয়ান)
প্রতিষ্ঠাকাল- ৮ আগস্ট, ১৯৬৭
সদর দপ্তর- জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
-------------------------------------------------------
আসিয়ানভূক্ত ১০টি দেশ:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)
Syndicate content