'প্রশান্ত মন্ডল' -এর ব্লগ

মডেম ছাড়াই ইন্টারনেট চালান কম্পিউটারে!!!

প্রশান্ত মন্ডল: প্রিয় পাঠক, কেমন আছেন? আশা করি অবশ্যই
ভালো আছেন! যাক, ভালো থাকুন আর খারাপ থাকুন সে আপনার ব্যাপার! এখন আমার টিউনটি আগে
পড়ুন!!! Smiling

আজকের টপিকটা কি মনে আছে তো? মনে করিয়ে দিবো? না, একটু কষ্ট
করে আবার হেডলাইনটা একটু পড়ে ‍নিন!

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

মাইক্রোফোন ছাড়াই ভিডিও টিউটেরিয়াল তৈরী

পাঠক, আমি প্রশান্ত মন্ডল! এটি আমার প্রথম টিউন। আজ আমি আপনাদেরকে দেখাব
যেভাবে মাইক্রোফোন ছাড়াই কম্পিউটারে অডিওসহ টিউটিরিয়াল তৈরী করবেন!

বর্তমানে
আমাদের অনেকেরই কম্পিউটার আছে। ইউটিউব চ্যানেল আছে। মাথা ভর্তি টিউন আছে!
কিন্তু ডেস্কটপ ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যবহারকারীরই কম্পিউটারের
সাথে মাইক্রোফোন বা হেডফোন কোনটাই থাকেনা! ফলে ভিডিও টিউটেরিয়াল তৈরী করা
গেলেও তাতে ভয়েস দেওয়া সম্ভব হয়না! যার ফলে টিউটেরিয়ালটি একরকম অসম্পূর্ণই
রয়ে যায়! অনেকে আবার এটা পূরণ করতে কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ব্যবহার করেন
:)
কিন্তু এতে কি আর দিল ভিজে? যাক সে কথা, প্রশান্ত থাকতে আর চিন্তা কিসের?
লাগবে না কোনো কম্পিউটার মাইক্রোফোন, লাগবেনা কোনো হেডফোনও! চলুন তবে মূল
কাজে:

যা যা লাগবে:
১) একটি সচল কম্পিউটার।
২) ভিডিও এডিটর। যেমন: ক্যামটাসিয়া স্টুডিও।
৩) অডিও কনভার্টার। যেমন: ফ্রি অডিও কনভার্টারর।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

অতৃপ্ত শব্দাবলী

সুরের মূর্ছনায় বিভোর আত্মা,

তৃপ্তিতে পরিপূর্ণ হৃদয়

সুখের স্রোতে কলকল ধ্বনি

উৎপন্ন হয়

কানে অনুভূতি জাগায়!

যাদুতুল্য কথার জালে

আটকে যায় স্রোত!

না, এ যে সম্ভব নয়।

তপসীর মন্ত্রে মুগ্ধ হচ্ছি,

জঙধরা ইন্দ্রিয় নড়ে ওঠে।

আমি অতৃপ্ত শব্দাবলীর

বুনট করে যাই।।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

পত্রিকাতে প্রকাশের জন্য লেখা আহ্বান

সুপ্রিয় লেখিয়ে বন্ধুরা! নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক "টাইমস্ নারায়ণগঞ্জ" পত্রিকায় প্রকাশের জন্য স্বরচিত যেকোনো( যেমন- ছড়া, গল্প, কবিতা বা ভ্রমন বিষয়ক কোনো প্রবন্ধ ইত্যাদি ) ধরনের লেখা পাঠান।
বিঃদ্রঃ আপনাদের পাঠানো লেখা নিয়ে পরবর্তীতে পিডিএফ(pdf) বই তৈরী করা হবে এবং তা আমাদের পত্রিকার ওয়েব সাইটে আপলোড করা হবে। যা যেকেউ ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

শর্ত সমূহ;
১) লেখা অবশ্যই স্বরচিত, অপ্রকাশিত এবং মৌলিক হতে হবে।
২) লেখকের যেকোনো ধরনের একটি ছবি পাঠাতে হবে। (কবিতার সাথে প্রকাশের জন্য)
৩) ইমেইলে পাঠানো লেখার ক্ষেত্রে লেখা অবশ্যই ডকুমেন্ট আকারে পাঠাতে হবে এবং তা অবশ্যই SutunnyMJ ফন্টের হতে হবে।
৪) ইমেইলে পাঠানো লেখার ক্ষেত্রে Subject -এ বাংলায় বা ইংরেজিতে লেখকের নাম লিখে পাঠাতে হবে।
৫) ফেসবুকে পাঠানো লেখা অবশ্যই অভ্র (Vrinda) ফন্টে পাঠাতে হবে।
৬) স্বাভাবিক লেখা পাঠাতে হবে, ডিজাইন করে পাঠানো লেখা; অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
৭) নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই; যেকোন সময় পাঠানো যাবে।

লেখা পাঠানোর ঠিকানা:
ইমেইল: Prosantamondal665@gmail.com
অথবা মেসেজ করুন,

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

শ্রমিক ছন্দ |||| প্রশান্ত মন্ডল

আঠার বছর, কমেই শিশু।
কে বলেছে, ছাঁই?
অাট-আঠারোয় নেইকো বাঁধা,
বলুক যতটাই..!

শিশু কারা জানেন নাকি,
আজকে লাফান যারা!
এক-আঠারো নয়কো শিশু,
নিজের সন্তান ছাড়া!

মন্দ নাতো ভালোই করে,
বড়োর কাছাকাছি।
তাইতো বলি কিসের এত,
করেন বাছাবাছি!

ধর্ষণেরও যোগ্য হবে-
বয়স? --প্রবলেম নাই!
মারতে পারবেন ইচ্ছে মতো,
বেঁধে দু'হাত-টাই!

আরও কত কিছুই পারেন,
রাখলে স্লোগান বন্ধ!
শিশু শ্রম চলবে চলুক-
এমন বানান ছন্দ!

আপনার রেটিং: None

আসুন বদলাই___প্রশান্ত মন্ডল

প্রতিদিন পত্রিকার পাতাতে চোখ বুলাতেই যখন, লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত ভাষার বর্ণমালায় লেখা; অপহরণ, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি ইত্যাদি লেখাগুলো রেটিনাতে প্রতিচ্ছবি আঁকে; তখন সত্যিই খুব খারাপ লাগে। অাজ তনু নাম ধারী একটি প্রাণের ছেদ পড়ল। কাল হয়তো অন্য কারো, পরশু.....! উহ্ঃ কিভাবে সম্ভব!

একটি শিশু জন্মের পূর্ব থেকেই তার পিতামাতার বুকে স্বপ্নের বীজ বপন করে দেয়। আর সেই বীজ যদি অঙ্কুরিত হয়ে অঙ্কুর থেকে চারা, চারা থেকে গাছে পদার্পণের সময় কোনো কালো হাত উপরে ফেলে! তখন সেই বপিত স্বপ্নগুলো যারা ধারণ করে থাকে; তাদের অবস্থা কে বুঝবে?

আমরা স্রষ্টার সৃষ্ট সর্বশ্রেষ্ঠ জীব। আমরাই প্রাণীর মধ্যে পেয়েছি উন্নত মস্তিষ্ক। আর সেই মস্তিষ্ক যদি বিকৃত বুদ্ধি সম্পন্ন হয়, তার ব্যবহার যদি জগতের কল্যাণে না আসে, সেই বুদ্ধি যদি ডেকে আনে হানাহানি; যা কারো কাম্য নয়। তখন দু'পা বিশিষ্ট লেজহীন প্রাণীদের কি সর্বশ্রেষ্ঠ বলা চলে?

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

মিসড কল-৩ (Missed call-3) ----প্রতীক মণ্ডল প্রশান্ত

মিসড কল-৩ (Missed call-3)
প্রতীক মণ্ডল

-আমাদের বাড়ি ঐ বাড়ির পাশেই। মেয়েটি উত্তর দিলো।
-আচ্ছা, ঠিক আছে ভালো থাকবেন। ও, আরেকটি কথা আমি আপনার কথা আমার ছোট ভাইকে বলেছি।
-তো কি বলল?
-ওর ক্লাসে নাকি শ্রাবন্তী নামে কোনো মেয়ে-টেয়ে নেই।
-হিহিহি। আরে ও আমাকে চেনে নাকি?
-চেনবে না কেন? আপনারা না এক ক্লাসে ছিলেন?
-ছিলাম ঠিকই। কিন্তু কখনো কথা হয়নি।
-ওওও। আচ্ছা, ও আরো কি বলেছে জানেন?
-কি বলেছে?
-তাদের(শ্রীকান্তের) ক্লাসে মোবাইল চালায় এমন কেউ ছিলনা। এখনো নেই। থাকার মধ্যে আছে একটি মেয়ে। নাম রাবেয়া। তো সত্যি করে বলুন তো আপনি কোন ধর্মালম্বী?
-হিন্দু।
-হিন্দু? সত্যি বলছেন তো?
-না মিথ্যা। হিহিহি।
-ধূর, ফান করবেন না কিন্তু...
-হুম। বলুন।
-আপনি কি সত্যি হিন্দু।
-হ্যাঁ হ্যাঁ। মা কালীর দিব্যি!
-সত্যি......?
-সত্যি সত্যি সত্যি। তিন সত্যি।
-আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।
-না হলে নাই।.....আচ্ছা কি করলে বিশ্বাস হবে?
-আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করব। সেগুলোর সঠিক উত্তর দিতে হবে।
-ওকে, ঠিক আছে। বলুন...।

::::::::::::::::::চলবে:::::::::::::::::
সংগৃহীতঃ www.faccebook.com/pm.kobi

আপনার রেটিং: None

মিসড কল-২ ----প্রতীক মণ্ডল প্রশান্ত

মিসড কল-২ (মিসড কল-১ এর পর)

-শ্রীকান্ত। সাইন্সে পড়ে। চেনেন?
-হ্যাঁ, চিনি তো।
-কিভাবে চেনেন? আপনি কো কমার্সে।
-কমার্সে পড়াতে কি হয়েছে আগে এইটে তো এক সাথেই ছিলাম।
-ও। তা ঠিক।
-আপনি কিসে পড়েন?
-আমি? হুমমমমমমমমমম। আমি মেরিনে পড়ি।
-ভালো।
-ভালো হলো কিভাবে?
-এমনি।
-ও, আচ্ছা আপনার ওখানে খুব গোলমাল শোনা যাচ্ছে। কিসের ওটা?
-অহ। আমার মা ও দিদি পাশের রুমে কথা বলছে। দিদি বেড়াতে এসেছে তো।
-ও, আমি যে কথা বলছি কোন সমস্যা হচ্ছে না?
-না, আমি তো আসার রুমে।
-তাই?
-হ্যাঁ, আচ্ছা অাপনাকে ফোনটা বোধ হয় ভু....
-আপনি নন্দলাল পুর কোথায় থাকেন?
-স্কুলের পাশেই। আমাদের বাড়ি নায়ের গাঁও কিন্তু থাকি নন্দলাল পুর।
-নন্দলাল পুর। নন্দলাল পুর স্কুলের পাশে তো থাকার মতো সেরকম কোন বাসা নেই। তবে কি কোন নতুন বাসসা হয়েছে?
-না, মানে। আমাদের বাড়ি কাউয়াদি!
-হু। তখন যে বললেন আপনাদের বাড়ি নায়ের গাঁও?
-নায়ের গাঁও বলেছি যদি আপনি না চেনেনন। তাই।
-ও। কাউয়াদি তো আমাদের আত্মীয় আছে।
-তাই। কোন বাড়ি?
-হুমমমমম। মজুমদার বাড়ি, রাইট মজুমদার বাড়ি। আপনাদের কোন বাড়ি? আমি জিজ্ঞেস করলাম।

আপনার রেটিং: None

মিসড কল-১ (Missed call-1) ----প্রতীক মণ্ডল প্রশান্ত

আমার খুব গল্প লিখতে ইচ্ছে হয়। কাল্পনিক নয়, বাস্তবিক। কিন্তু যখনই লিখব ভাবি তখনই কলমে কালি নেই নয়তো খাতা নেই। তাই অনেক দিন প্রচেষ্টারত থাকার পর আজ কলম ও খাতা ছাড়াই লিখতে বসলাম...!

কিছুদিন হলো দশম শ্রেণির একটি নতুন টিউশনি পেয়েছি। পড়াচ্ছিও। একদিন পড়াতে বসেছি। হঠাৎ আমার প্যান্টের পকেটে ফোনটা বেজে ওঠল। মিসড কল! বের করলাম না। ঘণ্টা খানেক পর টিউশনি শেষ করে বাসায় ফিরছি। মোবাইলে একটি মেসেজ এসেছে। অপারেটরের নিজস্ব ম্যাসেজ। মেসেজটি দেখতে গিয়ে চোখ পড়ল কিছুক্ষণ আগে আসা অচেনা নাম্বারের মিসড কলটি। কে দিলো? আমাকে মিস কল দেওয়ার মতো সেরকম কেউ নেই। তাই একটু বেশিই ভাবতে হল। কিছুক্ষণ ভাবার পর কলটা ব্যাক করলাম...!

-হ্যালো, কে বলছেন? ওপাশ থেকে দুহিতার কণ্ঠ শোনা গেল।
-জ্বি। আমি প্রশান্ত, প্রশান্ত মণ্ডল বলছি।
-তো, কাকে চান?
-না, আসলে কিছুক্ষণ আগে আপনার এই নাম্বারটি থেকে আমার নাম্বারে কল এসেছিল। তাই...
-আপনার বাসা কোথায়?
-আমার বাসা? তা বলছি। আগে আপনার নাম তো বলুন।
-আমার নাম শ্রাবন্তী রাণী দাস।
-বাসা?
-নায়ের গাঁও।
-নায়ের গাঁও!!!? নায়ের গাঁও -এর কোথায়?
-নন্দলাল পুর।

আপনার রেটিং: None

এখনও নির্বাক

এখনও নির্বাক
প্রশান্ত মন্ডল

সাম্প্রতিক সর্বহারা শব্দটাকে বয়ে বেড়াচ্ছি। এতদিন বোধ হয় এরকম ছিলাম না। কারণ, সেই তুমি ছিলে। আলোর মত তোমাকে দেখতে পেতাম, স্পর্শ করতে পারতাম না। শুধু ভাবতে পারতাম। স্পর্শে প্রেম হয়না। তাই শুধু ভাবনাতেই বা মন্দ কি? অনেক ভেবছিও। এই ভাবনার সারমর্ম তুমি না হলে, না জানি কত কিছুই জগতের কল্যাণে সৃষ্টি হত! তা আর হলো না। কিন্তু তা যাই হোক। তোমার প্রতি যে ভালোবাসার উদ্ভব হয়েছে, যে অনুভূতির জন্ম হয়েছে তাই বা কম কিসে?

আজ দীর্ঘ পাঁচ বছর পেরিয়ে আমার সেই অনুভূতির কোনো পরিবর্তন নেই। কোনো বিরাম নেই। কাল অনুভূতিকে হ্রাস করতে পারে না। অনুভূতির সাথে হৃদয়ের সম্পর্ক। তবে এ কথাও সত্য, কালের বিবর্তনে হৃদয়ের পরিবর্তন হয়। কিন্তু আমার সেরকম কিছুই হয়নি। আমি আজও সেই ছাদে চেয়ে আছি। রিক্সার প্যাডেল চলছে। তুমি বসে আছো সেই রিক্সাতে। আর আমি তার পিছু নিয়েছি!

আজ এত বসন্ত পেরিয়েও তাকে ভেবে ভেবে চোখের কোণে কিঞ্চিৎ অশ্রু জমা হয়। অথচ গড়িয়ে পড়ে না। চোখেই শুকিয়ে যায়।

আপনার রেটিং: None
Syndicate content