"অনন্তের ঘর"

এই ঘর তো অনন্তের ঘর নয় তাই তাকে সাজিয়ে সময় ও অর্থ ব্যয় করা বোকারই লক্ষন। তাই জ্ঞানীরা এই ঘর না সাজিয়ে চিরদিনের ঘরকে সাজিয়ে নেয়। আর সেখানে গিয়ে তা ভোগ করার তৌফিক প্রার্থনা করে মহান আল্লাহ্ জাল্লাহ্ শানহুর দরবারে। আমাদেরকে জ্ঞানীবানদের কাফেলাতে শামিল করো।

আপনার রেটিং: None

আসসালামু আলাইকুম,

ঠিকই বলেছেন। দুনিয়াটা হচ্ছে মুসাফিরের স্টেশন ও যানবাহনে অবস্থানের মত। যানবাহনে থাকাকালীন যানবাহনের ভাড়া দিতে যে পরিমাণ অর্থ দরকার তা আমাদের প্রয়োজন হয়। দূরপাল্লার বাসে যাত্রাকালে পকেটে ২০০ টাকা না থাকলে যেমন যাত্রাপথ অনিশ্চিত হবে, তেমনি পকেটে ২ লাখ টাকা থাকলেও ছিনতাইকারীর ভয়ে যাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ হবে। খাদ্য আর ওষুধ যেমন প্রয়োজনের কম হলেও সমস্যা, আবার বেশি গ্রহণ করলেও সমস্যা, অর্থ-সম্পদের ব্যাপারটাও ঠিক তাই। অতএব, দুনিয়াতে আমাদের অপরিহার্য প্রয়োজন পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে বাকি সময়টা অনন্তের ঘর নির্মাণেই ব্যয় করা উচিত।
প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ মূলত কোন কাজেই আসে না, বরং আরো অকাজের কারণ ঘটায়। যেমন- আমার হাতে যদি ১০০ কোটি টাকা থাকে, তাহলে একেবারে বেহিসাবে খরচ করলেও তা সপরিবারে ভোগ করতে ৫০০ বছর প্রয়োজন হবে। কিন্তু সেই ৫০০ বছর কি আমি পাব? যদি টাকা দিয়ে হায়াত ক্রয় করার কোন অপশন থাকত, তাহলে আমরা তাই করতাম। তবে সেই অপশন না থাকলেও আখেরাতের হায়াতকে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করবার সুযোগ যেহেতু রাখা আছে, তাই সেই অপশনকে কাজে লাগানোটাই বুদ্ধিমানের কাজ। অবশ্য নেক আমল ও দান-খয়রাতের দ্বারা অনন্তের ঘরকে সজ্জিত করার পাশাপাশি এই ক্ষণস্থায়ী ঘরেরও মেয়াদ বৃদ্ধি এবং তাকদীর থেকে বিপদ-আপদ কাটানোর সুযোগ রয়েছে।
চাকুরীতে স্থায়ীকরণ বলে একটা জিনিস আছে। তবে সত্যিকারের স্থায়ীকরণ হচ্ছে অনন্তের ঘরকে নিরাপদ ও বাসযোগ্য করা।

ওয়া আলাইকুম আস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু!
যথার্থই বলেছেন। জাযাকুমুল্লাহ্

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

Rate This

আপনার রেটিং: None