পুরুষরাও মুসলমান নারী হয়ে জন্মাতে চাইতো

 

sl

 


যখন সে  কন্যা  , সে তার  পিতার   জন্য  বেহেশতের  দরজা খুলে দিল  ;

যখন সে    বোন ,  সে ভাইয়ের  পরকালের  হিসাব  সহজ  করার উপায় ;

যখন  সে  স্ত্রী  ,  সে  তার স্বামীর   দ্বীন  অর্ধেক   আদায়  করে  দিল ;
যখন  সে  মা  ,  তার পায়ের নীচে  সন্তানের  বেহেশত ।


ইসলামে  নারীদের  প্রকৃত  মর্যাদার  কথা যদি   সবাই  বুঝতো , তবে  পুরুষরাও  মুসলমান নারী  হয়ে  জন্মাতে  চাইতো ।

সহায়ক সূত্র :   শেখ  আকরাম নাদাওয়ীর উদ্ধৃতি


"When she is a daughter, she opens a door of Jannah for her father.
When she is a wife, she completes half of the deen of her husband.
When she is a mother, Jannah lies under her feet -
 
If everyone knew the true status of a muslim woman in Islaam, even the men would want to be women"
 
[Shiekh Akram Nadawi]

 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

ইসলামে নারীর মর্যাদা অনেক বেশী তা আমি/ আমার পক্ষে অস্বীকার করার কোন জো নেই কিন্তু শেষের কথাটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত যদি একটু ব্যাখ্যা করে লিখতেন তাহলে মনে হয় ভাল হত।

-

 

 

সালাম


আল্লাহ   নারীদের  জন্য  জীবন  অনেক  সহজ করে দিয়েছেন  ।   নিজের  খাওয়া –পরা  থেকে শুরু করে   তার সবকিছুর  দায়িত্ব   আল্লাহ   পিতা , ভাই , স্বামী , পুত্রের  উপর  দিয়েছেন  । 


কন্যা জন্মের  খবরকে  কুরআনে  বুশরা  বা  সুসংবাদ  বলা  হয়েছে ।  আল্লাহর  রাসূল  সাল্লাললাহু আলাইহি  ওয়াসাল্লাম   বারবার   সাহাবীদের  বলেছেন  যার মানে  ,   কেউ  যদি   কন্যাকে  অবহেলা  না করে  ও  আদরে  বড়  করে , তাহলে   তার জন্য রয়েছে  বেহেশতের  সুসংবাদ ।  আলাদাভাবে  শুধু  পুত্রের  জন্য  এত বড়  সুখবর  শোনানো  হয়  নি  -  হয়  সন্তানের  উল্লেখ  করা হয়েছে যা  পুত্র  - কন্যা   দু’জনকেই  বোঝায়  অথবা  শুধু  কন্যা  সন্তানের  গূরুত্ব  উল্লেখ করা হয়েছে ।

  কন্যা বা বোন যদি  বিধবা  বা তালাকপ্রাপ্তা  হয়ে  অসহায়  অবস্থায়   স্বামীর বাড়ি থেকে  ফিরে আসে  ,  তবে  পিতা  ও  ভাই  তার জন্য যা খরচ  করবে  ,  তা    পরম  সওয়াবের কাজ ।  না করলে  তারা  গুনাহগার হবেন ।

 

 

 

পুরুষদের  জন্য  হালাল রোজগার  করে নারীর  জন্য   তা ব্যয় করা বাধ্যতামূলক  অথচ  নারী  যদি  ধনীও  হয়  , সে  কোন পুরুষের  জন্য  খরচ করতে বাধ্য  না ।   অর্থাৎ  his  money is  her money but her money  is NOT his money .


পুরুষদের   মসজিদে  সালাত  আদায়ের  জন্য   তাগিদ   দেয়া হয়েছে -  তাই
শীতের  রাতে   বা  গ্রীস্মের  প্রচন্ত  গরমেও    যারা  ধর্মপ্রাণ  মুসলমান , তারা  অনেক  কষ্ট  সহ্য করে  মসজিদে যান  অথচ  নারীরা  ঘরে  বসে সালাত  আদায় করেও  একই  সওয়াব পাচ্চেন ।  যুদ্ধে  যাওয়ার  পুরুষদের  জন্য  ফরয  অথচ  নারীকে  যুদ্ধের  ময়দানে  অস্ত্র  ধরার  জন্য যেতে  হয়  না  ।   

 

 

এভাবে   রোজকার  জীবনযুদ্ধ বলুন  বা  জিহাদের  ময়দান  বলুন , নারী  কিন্ত্ত  এসব  গূরুদায়িত্ব  থেকে   মুক্ত   অথচ  পুরুষদের  জন্য  এসবই  বাধ্যতামূলক ।

নিজের সন্তানকে  মা  বুকের  দুধ  খাওয়ান  অথচ  তার  জন্যও  রয়েছে    অগণিত  পুরষ্কার  ।   আজ  পশ্চিমা গণমাধ্যম   সন্তান প্রতিপালন , সংসারের  দেখাশোনা  করা  এসব  কাজকে  মূল্যহীন   হিসাবে  সবার সামনে  তুলে  ধরে  ।  

 

 

 নারী  ঘরে  নিজের  বাচ্চার  দেখাশোনা করলে   কেউ  তাকে   অর্থ দেয় না  অথচ  কাজের  বুয়ার কাছে  বাচ্চা রেখে  যদি  ডে কেয়ার সেন্টারে  অন্যের বাচ্চাকে  দেখাশোনা করেন  বা  কোন অফিসে   চাকরী  করতে চলে যান   , তবে  একই মা  হাজার  হাজার টাকা  রোজগার  করবেন  । 

 

 

    টাকা  রোজগার করতে পারাটাকে  আজকের যুগে  ব্যক্তির  মান-মর্যাদা  নির্ধারণের  মাপকাঠি  হিসাবে  গণ্য হয়  ।  যেসব   মুসলিম নারী    যোগ্যতা থাকা সত্বেও  সংসারকে প্রাধান্য  দিয়ে  কর্মজীবন  বেছে নেন  নি  ,   তাদেরকে  এমন  কি  অনেক নারীও   তুচ্ছ করেন , সবার সামনে  অপমান করার  চেষ্টা  করেন  ।    ফলে  অনেক  নারীই হীনমন্যতায় ভোগেন ।

 


অনেক পুরুষও  নিজ  নিজ  দায়িত্ব  পালন করেন  না  ও    মা –বোন – স্ত্রী – কন্যার প্রতি  দায়িত্ব  অবহেলা করেন ।   আশা করি ,     শেখ আকরামের এই  কথাগুলি   তাদেরসহ  আমাদের সবারই উপকারে  আসবে ।

সোবহান আল্লাহ্!‍ তারপরও অবুঝ মানুষ আজো কন্যা সন্তান হলে মন খারাপ করে, অকল্যাণ, অলক্ষী ভাবে, এমনকি এ বিজ্ঞানের যুগেও সমস্যা কার তা না জেনে স্ত্রীকে অপবাদ দেয়, নির্যাতন করে; এমনকি তালাকও দিয়ে দেয়।

জাযাকুমুল্লাহ্ খায়ের।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

সালাম

তালাক দিলে  তবুও  ভাল  -  মেয়েটি অন্তত বেঁচে থাকতে পারে , ভবিষ্যতে   ভাল কোন  সাথী  পেলে  সংসার  করতে পারবে  ।   অনেক পাষন্ড স্বামী   স্ত্রী বা  কন্যাকে  খুন করে ফেলে  । 

আল্লাহ  এদেরকে  হেদায়েত করুন ।

কালকে  এই  খবরটা পড়লাম -    কন্যা জন্ম দেয়ায় আফগান নারীকে হত্যা

আফগানিস্তানের কুন্দুজ প্রদেশের একটি গ্রামে কন্যাসন্তান জন্ম দেয়ার কারণে এক নারীকে হত্যা করেছে তার স্বামী। ওই দম্পতির আরও এক কন্যাসন্তান রয়েছে। খবর দিয়েছে দ্য ডন।

ভয়াবহ খবর! এদের জন্যই দরকার ইসলামের কেসাস আইন।

নতুন মন্তব্য করুন

The content of this field is kept private and will not be shown publicly.
Smileys
:);):(:D}:):P:O8)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)