সমান অধিকারে নারীর সম্মান কমে

কয়েকদিন পূর্বে ট্রেনে করে বাড়ি যাচ্ছিলাম। বাংলাদেশের জনসংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই অনেকে দাঁড়িয়ে যাবে। তাছাড়া ট্রেনের ভাড়া বাস ভাড়ার চেয়ে অনেক কম, তাই সাধারন মানুষেরা ট্রেনেই বেশি ভীড় করে থাকেন। আমিও যেহেতু ঐ সাধারনের দলে তাই ট্রেনে উঠেছি। ছোটবেলায় যখন ট্রেনে বা বাসে উঠতাম তখন দেখতাম কোন মহিলা বা মুরুব্বী মানুষ সেখানে উঠলে অনেকেই সিট ছেড়ে দিয়ে ওনাদেরকে বসতে দিতেন। কিন্তু এখন চিত্র পুরো ভিন্ন। পাশে কোন বয়স্কা মহিলা থাকলেও কেউ সাধারণত দাঁড়িয়ে সেই সিটটা ছেড়ে দিতে চায় না। এমনি ঘটনা ঘটলো সেদিন।

ভীড়ের কারনে এক মহিলা এসে চিৎকার করে বলছেন তাকে সিট দেওয়ার জন্য। তার চিল্লা-চিল্লিতে অনেকই হাসতে শুরু করলেন। কেউতো সীট ছেড়ে দিলই না বরং তাচ্ছিল্লের হাসি হেসে বলতে লাগলো- আপনারাই তো সমান অধিকারের কথা বলেন এখন দাঁড়িয়ে থাকেন। অনেক পুরুষ মানুষ টিকেট কেটে দাঁড়েয়ে যাচ্ছে আপনিও দাঁড়িয়ে যান। লোকেরা আরও বললো- আপনারা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী সবকিছু কিন্তু এখানে এসে চিল্লা-চিল্লি করে কোন লাভ নাই। এই কথাতে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন মহিলাও কন্ঠ মিলালেন। তারা বললেন- আগে মহিলারা আসলে অন্যরা সিট ছেড়ে দিত আর এখন!

আমি তাঁদের এসব কথা শুনছি আর হাসছি, কারন এখানে বলার কিছুই নাই। আমি আগেও সমাধিকার নামে একটা পোস্টে বলেছিলাম- সমান অধিকারে নারীদের সম্মান বাড়ে না বরং যার যা প্রাপ্য তাঁকে সেই অধিকার দিলেই কেবল সমাজে শান্তি ফিরে আসতে পারে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (3টি রেটিং)

পড়ে ভালো লাগলো।আপনার সাথে একমত

পড়ে মন্তব্য করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। আসুন সবাইকে সচেতন করার চেষ্টা করি।

আপনি কি সিট ছেড়ে দিয়েছিলেন নাকি হাসাহাসি করার দলে ছিলেন ?Smile

সালাম

 

ভাল প্রশ্ন করেছেন  ।     বাসে  বয়স্ক পুরুষ  বা  সন্তান  কোলে নারীকে দেখলেও  অনেকে

 সিট  ছেড়ে  দেন না , যা  খুবই  অমানবিক ।   কিছু  নারীর  আন্দোলনের জন্য   এভাবে  নারী -পুরুষ  সবার সাথে  খারাপ  আচরণ  করা থেকে  বিরত  থাকতে  হবে ।

সালাম

 

একমত ।         যারা সমান অধিকারের  কথা  বলেন  ,  তারা    আসলে মেয়েদের  ক্ষতি  করছেন  । এভাবে  নারী - পুরুষকে  সবক্ষেত্রে   প্রতিদ্বন্দ্বী  করা  হচ্ছে   যা পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তির  কারণ হচ্ছে । 

 

আসলে আন্দেলন  করা  উচিত  নারীদের  ' বেশী '   সুবিধা Laughing বা  নায্য অধিকারের  জন্য  যা  আল্লাহর  আইনের সাথে মানানসই।     

সালাম

আপনাকে ধন্যবাদ

বিবেগবান মানুষের উচিৎ একশ্রেনীর নারীদের জন্য অপর শ্রেনীর নারীদেরকে দায়ী না করা। ঐসময় কি আপনার বিবেগ সজাগ ছিল? নাকি আপনিও তাচ্ছিল্লো কারীর দলে ছিলেন।

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর লিখার জন্য।

সুন্দর একটি পোস্ট স্টিকি করার জন্য মডারেটদের ধন্যবাদ। লেখককে শুভেচ্ছা।

আসলে যেদিন থেকে নারীরা সম-অধিকারের নামে রাস্তা মিছিল শুরু করেছে সে-দিন থেকেই তাদের সম্মান কমতে শুরু করেছে। যদিও গুটি কয়েক নাস্তিক মহিলার জন্য আজ পুরো নারী জাতীকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্চে। আমি নিজেও এমন করেছি তবে যে সকল মহিলা পর্দা করে/ বোরকাপরে বাসে উঠত তাদের সিট সেড়ে দিতাম, আর যারা আধুনিক পোষাক পরে গাড়িতে উঠে সিটের জন্য কথা বলত তাদেরকে এমনই পরিস্থিতির সম্মুখিন হয়ে দাড়িয়েই থাকতে হত।

সহমত

-

নিরপেক্ষতা মানে যদি এই হয় যে তা সত্যের পক্ষেও নয় মিথ্যের পক্ষেও নয় বরং নিরপেক্ষ তবে আমি নিরপেক্ষ নই , সত্যের পক্ষে ।

জি, বাংলাদেশে বর্তমান সময়ের বাসযাত্রী মানেই এমন অভিজ্ঞতার অধিকারী। আমি মনে করি পর্দাশীলা নারীদের জন্য এখনো সময় আছে, তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য তাদের উচিত আওয়াজ তোলা- লেখনি দিয়ে, পর্দা অটুট রেখে যতগুলো পন্থা রয়েছে প্রতিবাদের সবগুলোকে কাজে লাগিয়ে প্রচেষ্টা চালানোর।

তবে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপটাই দ্রুত কার্যকর হয়। কিন্তু যে দেশে রাস্ট্র নারীদেরকে অধিকার দেয়ার নামে অধিকারচ্যুত করছে, সম্মান দেয়ার নামে অসম্মান করছে, সেখানে কি আশা করা যায়।

হাঁ, আশা করা যায় যদি আনা যায় সেই কাংখিত পরিবর্তন; সকল পর্যায়ে। সুতরাং সে জন্য সাধনা করাই বড় কাজ।

-

আমার প্রিয় একটি ওয়েবসাইট: www.islam.net.bd

sl

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  বাসগুলিতে  সামনের  দরজা  ছাত্রীরা  ও পিছনের  দরজা  দিয়ে  ছাত্ররা  উঠা-নামা করেন ।    পাবলিক  বাসগুলিতেও   এমনটি  হওয়া  উচিত ।

 

তাহলে  নারী - পুরুষ  সবারই   পর্দা  রক্ষা  করা  সহজ  হবে ও  অনেক  অনাকাঙ্খিত  ঘটনা  এড়ানো যেতে পারে ।

 

আইন কানুন করার থেকে মানুষের চেতনা/ অনুভুতি জাগ্রত করা জরুরী।

সব নিয়ম সব জায়গার জন্য প্রযোজ্য না আসলে। আমি যদি আমার স্ত্রী সন্তান নিয়ে বাসে উঠি, তাইলে আলাদা বসা এবং আলাদা দরজা ব্যাবহার করাকে বরং অনেক বেশি অসুবিধাজনক মনে করব।

হাসিনা আর খালেদারে বাসে উঠাইয়া দাঁড় করাইয়া রাখতে পারলে তারা বুঝতো নারীর সমান অধিকার কারে বলে।

-

-রাজনীতিতে না কি শেষ কথা বলে কিছু নেই

নতুন মন্তব্য করুন

The content of this field is kept private and will not be shown publicly.
Smileys
:);):(:D}:):P:O8)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (3টি রেটিং)