মা ফাতিমার সাথে ইমাম মাহদীর সাদৃশ্য

মা ফাতিমার সাথে ইমাম মাহদীর সাদৃশ্য

পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে মা ফাতিমা (সা. আ.)এর সাথে ইমাম মাহদী (আ.)এর বহু মিল রয়েছে।

বার্তা সংস্থা ইকনা: মা ফাতিাম যাহরা (সা. আ.) হচ্ছেন আসমানের নুর আর ইমাম মাহদী (আ.) হচ্ছেন জমিনের নুর।
রাসূল(সা.) এসম্পর্কে বলেছেন:

 ثم أظلمت المشارق و المغارب، فشکت الملائکة إلی الله تعالی أنْ یکشف عنهم تلک الظلمة. فتکلم الله جلّ جلالُه کلمةً فخلق منها روحا ثُمّ تکلَّم بکلمةٍ فخلق من تلک الکلمة نورا، فأضاءت النور إلی تلک الروح و أقامها مقامَ العرش فزهرت المشارق و المغارب فهی فاطمة الزهراء و لذالک سمیت الزهراء لأنَّ نورها زهرت به السماوات

 ফাতিমাকে এই জন্য যাহরা বলা হয়েছে যে, মহান আল্লাহ তার নুরের মাধ্যমে আসমানকে নুরানি করেছেন।

পবিত্র কুরআনে বর্নিত হয়েছে: আল্লাহর নুরে জমিন নুরানি হবে। «وأشرقت الأرض بنور ربّها

ইমাম জাফল সাদিক(আ.) বলেছেন: ইমামগণ হলেন, পৃথিবীর নুর আর ইমাম মাহদী যখন আবির্ভূত হবেন তখন গোটা পৃথিবী আলোকিত হয়ে যাবে।

ইমাম মাহদী(আ.) এবং মা ফাতিমা উভয়েই কিয়ামতের দিন তার অনুসারীদের শাফায়াত করবেন।

বেলাল বিন হামামা বলেন, একদা রাসূল(সা.) প্রবেশ করলেন, তাঁর চেহারা নুরে ভলপূর ছিল। জানতে চাইলাম এটা কিসের নুর তিনি বললেন, আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাকে সুসংবাদ দেয়া হয়েছে যে, আমার চাচাতো ভাই আলী ও আমার কন্যা ফাতিমার মাধ্যমে উম্মতের বহু মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয়া হবে।

ইমাম মাহদীও কিয়ামতে দিন মু’মিনিদের শাফায়াত করবেন।

মা ফাতিমা (সা. আ.) মজলুম ছিলেন, «السلام علیک أیتها المعصومة المظلومة

ইমাম মাহদীর (আ.)ও মজলুম আছেন: سیأتی الله بقوم یُحِبُّهُم و یُحِبُّونَهُ و یَملِکُ مَن هو بینهم غریب

মা ফাতিমা (সা. আ) ও ইমাম মাহদী (আ.) উভয়কেই মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) বেশী ভালবাসতেন: তিনি মা ফাতিমা (সা. আ)কে চুমু খেয়ে বলতেন, আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য উতসর্গ হোক।

ইমাম মাহদী সম্পর্কে বলেছেন: «طوبی لمَنْ لقیه و طوبی لمَنْ أحبّه و طوبی لمَنْ قائل به সে সৌভাগ্যবান যে তাকে দেখবে, যে তাকে ভালবাসবে এবং যে তার প্রতি বিশ্বাস রাখবে ও অনুসরণ করবে।
iqna

আপনার রেটিং: None
"ইমাম মাহদীর (আ.)ও মজলুম আছেন"- কথাটি বোধগম্য নয়। কারণ, যিনি এখনো আবির্ভূতই হননি, তাঁর মজলুম হবার কথা present tense-এ বর্ণনা করাটা অপ্রাসঙ্গিক। আর শিয়া মত অনুসারে অতীতকালের যে ইমামকে ইমাম মাহদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই মত অনুসারে বললেও 'মজলুম ছিলেন' বলা যেতে পারে, 'মজলুম আছেন' প্রযোজ্য নয়।
তবে এই পোস্টের সবচাইতে অধিক আপত্তিকর বিষয়টি হলো পোস্টের সাথে সংযুক্ত ছবি। মা ফাতেমা (রা.) সহ নবী-রসূল ও শীর্ষ পর্যায়ের সাহাবাগণের কাল্পনিক ছবি বা প্রতিকৃতি তৈরি করা তাঁদের জন্য অসম্মানজনক হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। যদিও এখানে চেহারা দেখানো হয়নি, কিন্তু যে পোশাকের ছবি দেয়া হয়েছে তা শোভনীয় ও মর্যাদাজনক বলে মনে হয়নি।

Rate This

আপনার রেটিং: None