যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ নিয়ে আমাদের মনে সংশয় রয়েছে। এমনকি আমার কাছেও পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয় নি।
নীচের বিবিসি আর্টিক্যালটি এ বিষয়ে হয়ত বা প্রাথমিক ধারনা দিতে পারে। http://news.bbc.co.uk/2/hi/europe/1420133.stm যুদ্ধকালীন গনহত্যা, যুদ্ধকালীন মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, বেসামরিক কিংবা সামরিক জনতার উপর যুদ্ধকালীন নির্যাতন - এই সবই যুদ্ধাপরাধের অন্তর্গত।
চতুর্থ জেনেভা কনভেনশনের ১৪৭ ধারায় যুদ্ধাপরাধ সংজ্ঞায়িত হয়েছে, "স্বেচ্ছায় হত্যা, নির্যাতন বা অমানবিকতা যেখানে গুরুতর শারীরীক ক্ষত হয়ে থাকে, অবৈধ বহিষ্কার, অবৈধ জেল, অবৈধ ভাবে একজনের আইনী অধিকার অস্বীকার, বেআইনী ভাবে যুদ্ধবন্দী নেয়া, যথেচ্ছ ধ্বংসলীলা চালানো।" নীচে ইংরেজী টেক্স্ট বিস্তারিত। ["Wilful killing, torture or inhuman treatment, including... wilfully causing great suffering or serious injury to body or health, unlawful deportation or transfer or unlawful confinement of a protected person, compelling a protected person to serve in the forces of a hostile power, or wilfully depriving a protected person of the rights of fair and regular trial, ...taking of hostages and extensive destruction and appropriation of property, not justified by military necessity and carried out unlawfully and wantonly." This, international lawyers say, is the basic definition of war crimes. The statutes of The Hague tribunal say the court has the right to try suspects alleged to have violated the laws or customs of war in the former Yugoslavia since 1992. Examples of such violations are given in article 3:
] অন্যদিকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ মূলত বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে টার্গেট করে। ২০০১ সালে হেগ ট্রাইবুনাল এই রুলিং দেয় যে যুদ্ধকালীন সময়ে গনধর্ষন এবং যৌন দাসত্ব একটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
মনে রাখা প্রয়োজন, বিচ্ছিন্ন ভাবে ঘটে যাওয়া ঘটনা এসবের মধ্যে পড়ে না। পাক বাহিনী যখন "অপারেশন সার্চলাইট" দ্বারা সজ্ঞানে তাদের নীতির অংশ হিসেবে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করে তখন তা যুদ্ধাপরাধের মধ্যে পড়ে (যা ত্রিদেশীয় ত্রিপাক্ষিক চুক্তিতেও রয়েছে)। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরবর্তী বিহারীদের উপরে ঘটে যাওয়া দুঃখজনক প্রতিশোধগুলো যৌথবাহিনী বা মুক্তিবাহিনীর নেত্ৃত্ব কর্ত্ৃক নির্ধারিত হয় নি বলে সেগুলোকে মানবতার বিরুদ্ধ্বে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায় না। যা বিভিন্ন সময় অনেকের লেখায় এসেছে (http://www.sonarbangladesh.com/article.php?ID=3186)। যা হোক, এটা সম্পূর্ন আমার অভিমত। যেহেতু এ বিষয়ে আমার পড়াশোনা খুবই অল্প, তাই ভুল ভ্রান্তি বিচিত্র নয়। সেটা অবশ্যই স্বীকার করছি। নীচে কয়েকটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ দেয়া হল। The tribunal defines crime against humanity as crimes committed in armed conflict but directed against a civilian population. Again a list of examples is given in article 5:
আসল কথা হচ্ছে "মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ" বিষয়টি নিয়ে এখনও বিশ্বে নানান মত রয়েছে। এ নিয়ে বিবিসির লেখে "The United States has refused to sign the treaty, arguing the court could be used to pursue politically motivated prosecutions. Other major powers including Russia, China and India have also refused. The question of whether international courts of this kind are political - as defendants like Slobodan Milosevic argued - hangs over all international legal institutions. In a sense it is true that the tribunals are political since the international political will to establish and fund them has to exist before they can get to work. Critics of international courts often argue that international justice can only be truly legitimate when all war crimes, committed by any county, come under the jurisdiction of a single international court" বর্তমান সরকার যেহেতু "মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ" এর বিচার করতে যাচ্ছে, সেজন্যে তাদের উচিত হবে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করে জন সাধারনের সামনে তুলে ধরা।
|
|||
Rate This |
||
|
|

বর্তমান আওয়ামী সরকার কোনদিনও সুষ্ঠুভাবে যুদ্ধাপরাধ কিংবা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার করতে পারবে না। সেটা তাদের এযাবৎ কালের কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য থেকে পরিস্কার।
তারা পারবে কেবল একটি কাজ, তা হলো বাকশালের পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যুলুমের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে।
আপনাকে ধন্যবাদ।
"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com
সরকার সুষ্ঠুভাবে বিচার করুক - এই প্রত্যাশা।
তবে আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কথায় প্রতিক্রিয়া যেভাবে জানিয়েছেন তা সমর্থন করতে পারলাম না। সরকার ট্রাইবুনাল সেট আপ করে তার নাম দিয়েছে "আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল"। এক্ষেত্রে এটা আশা করা যায় না যে আন্তর্জাতিক শক্তি তা পর্যবেক্ষন করবে না। কেননা আজ যদি বাংলাদেশে এই আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল স্বচ্ছভাবে কাজ না করে, তবে সামনের প্ৃথিবীতে অন্য দেশেও আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল চরম বিতর্কিত হতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক বিশ্বের এরকম দাবী আমার কাছে অযৌক্তিক মনে হচ্ছে না।
এর আগে আমেরিকান সিনেটররা চিঠি দিয়ে কিবরিয়া হত্যা মামলার অগ্রগতি জানতে চেয়েছিলেন বিএনপি আমলে। সুতরাং এ বিষয়গুলো বাংলাদেশে নূতন কিছুও নয়।
ভাই এটা যুদ্ধাপরাধীর বিচার না কি সেটা এখন সবাই জানে।
hasan
আওয়ামী কপালে আরও একটি ৭৫ আছে।
হিটলার
আমার বুঝাটা কি ঠিক আছে? মানবতাবিরোধী আর যুদ্ধাপরাধের মূল পার্থক্য হচ্ছে যুদ্ধাপরাধ সামরিক এবং বেসামরিক, কিন্তু মানবতাবিরোধী শুধু বেসামরিক জনগোষ্ঠির বিরুদ্ধে।
থ্যাংক য়ু পোস্টটা দেয়ার জন্য। আমি এই টার্মের খেলার অর্থ বুঝতে পারছিলাম না। বুঝতে চাচ্ছিলাম।
যুদ্ধাপরাধ নামটি ইংগিত দিচ্ছে যে, যুদ্ধ সংক্রান্ত অপরাধগুলো এর ভেতরে অন্তর্গত। অন্যদিকে "মানবতা বিরোধী অপরাধ" সব ধরনের যুদ্ধাপরাধকে অন্তর্গত করে না, বরং কয়েকটি মারাত্মক অপরাধ নিয়ে।
আমারও মনে হচ্ছে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ মূলত বেসামরিক জনগোষ্ঠীর প্রতি।
আওয়ামী লীগ সরকার কোন আইনকানুন ও নীতি-নৈতিকতার ধারধারে না। তারা যে আন্তজার্তিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল গঠন করেছিল সেখানে আন্তর্জাতিক মানের কোন বিচারক নেই। এখন আবারে সেই ট্রাইবুনালের নাম রেখে 'আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল' । এর মানে তারা যুদ্ধাপরাধের বিচার করছে না। সংস্থাটির নতুন নামও আপত্তিকর। 'আন্তর্জাতিক' শব্দটি এখানে থাকতে পারে না। কারণ টাইবুনাল পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে না কিংবা ভারতীয় আর্মিকে সাক্ষী করবে না। তারা যেহেতু কেবল জামাতের নেতাদের বিচার করতে সেহেতু এই ট্রাইবুনালের নাম হওয়া উচিত ' জামায়াত নির্মূল ট্রাইবুনাল।'
http://bangla.irib.ir/
You are right..........++++++++++++
এটা হচ্ছে সরকারের মনগড়া ট্রাইবুনাল ।
এটা হচ্ছে সরকারের মনগড়া ট্রাইবুনাল ।
নতুন মন্তব্য করুন