ইবিতে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপে সংঘর্ষে ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা\ শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ

ইবিতে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপে সংঘর্ষে
ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা\ শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ

 ইসলামী
বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটিকে কেন্দ্র করে বর্তমান সভাপতি-
সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ ও পদবঞ্চিত গ্রুপের মধ্যে গত রোববার দফায় দফায় ধাওয়া
পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় ক্যাম্পাস ৭ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে
কতৃপক্ষ। ক্যাম্পাস পরিস্থিতি অনুকূলে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা
হয়েছে।
জানা যায়, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কাউন্সিল
অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলের ৩ মাস পর গত ১৯ মে জাহাঙ্গীর হোসেনকে সভাপতি এবং
সামসুজ্জামান তুহিনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করে
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কমিটি ঘোষণার পর পদবঞ্চিত খসরু, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক
মাহবুব, সাংগঠনিক সম্পাদক গাফ্ফার ও লিটন গ্রুপ যৌথভাবে নতুন সভাপতি ও
সাধারণ সম্পাদককে অছাত্র ও পেশাজীবী বলে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। গত রোববার
ক্যাম্পাস খোলার প্রথম দিনে নবগঠিত সভাপতি- সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ এবং
পদবঞ্চিত দু'গ্রুপ সশস্ত্র অবস্থান নেয়।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উভয় গ্রুপ দলীয় টেন্ট দখল করতে অগ্রসর হয়। এসময়
সভাপতি- সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ ও পদবঞ্চিত গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া
পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর প্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার থেকে ১৪ জুন
পর্যন্ত ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরিস্থিতি শামাল
দিতে জরুরি সিন্ডকেটের মিটিং আহবান করে ভিসি। রাত ১২টা পর্যন্ত স্থায়ী
দীর্ঘ এ মিটিংএ আইন শৃক্মখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪ জুন পর্যন্ত
বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং পরিস্থিতি ভালো হওয়া
সাপেক্ষে আগামী ১৫ জুন ক্যাম্পাস খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গতকাল সকাল
৯টার মধ্যে ছাত্রছাত্রীদেরকে সকল আবাসিক হল ত্যাগ করতে বলা হয়। হঠাৎ
কতৃপক্ষের এ ঘোষণায় দূরদূরান্ত থেকে আসা সাধারণ শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির
শিকার হয়। কেউ কেউ ক্যাম্পাসে আসার সময় রাস্তা থেকে হল বন্ধের ঘোষণার
সংবাদ পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে। গতকাল সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা হল ত্যাগ করতে
থাকে।
এদিকে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ ঘটনায় ক্যাম্পাস বন্ধের ঘোষণায় উদ্বেগ প্রকাশ
করেছে ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান।
ইবি শিবিরের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন বলেন, আমরা ক্যাম্পাসে শিক্ষার
পরিবেশ অটুট রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি
এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ ব্যাপারে ভিসি অধ্যাপক ড. এম আলাউদ্দিন বলেন, আমরা ক্যাম্পাসে স্থিতিশীল
পরিবেশ বজায় রাখতে হল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (3টি রেটিং)

এটা তো পুরনো খবর। আরেকটা কথা। ছাত্রলীগের হাতে খুন, ধর্ষণ, টেন্ডারবাজি কিংবা চাঁদাবাজি কোনটাই এখন আর খবর না। এগুলো সব পান্তাভাত।

সোনার ছেলেদের সোনালী যুগ চলতেছে। আসলে আওয়ামী লীগ মানেই সন্ত্রাস, খুন, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজীসহ চরম অমানবিক।

নতুন মন্তব্য করুন

The content of this field is kept private and will not be shown publicly.
Smileys
:);):(:D}:):P:O8)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (3টি রেটিং)