ষড়যন্ত্রের চোরাগলি দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চাইছে বিএনপি

 

 

 

সচেতন জনতার প্রতিরোধ আর বর্তমান সরকারের সতর্ক ও দূরদর্শী
নানা পদক্ষেপে দেশে যখন তাদের সকল ষড়যন্ত্র বানচাল হয়ে গেছে ঠিক তখনই আগামী
নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয়ের আশঙ্কায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখন বিদেশে বসে
ষড়যন্ত্রের জাল বোনা শুরু করেছে। গণরায় দিয়ে নয়, ষড়যন্ত্রের চোরাগলি দিয়ে তারা
ক্ষমতায় আসার পথ খুঁজছে। এ কারণেই লন্ডন অবস্থানরত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া
এবং তারেক রহমান কী কী বিষয়ে আলাপ করছে, দেশি-বিদেশি কার কার সাথে যোগাযোগ রাখছেন তা সরকার তথা দেশের বিভিন্ন
নিরাপত্তা বাহিনী জোরালোভাবে খোঁজখবর রাখছে। তারা লন্ডনে কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত কি
না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপার্সন লন্ডনে গিয়ে কি করছেন সেদিকে কড়া নজর
রাখা হচ্ছে। তবে সেখানে তাদের সরকারবিরোধী নানা অপ-তৎপরতার বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই
বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম সমূহে জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এটা নিয়ে
প্রচুর লেখালেখি হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্য দূতাবাসে সরকারিভাবে এবং
দলীয়ভাবে নানা খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। যে সব খবর বেরিয়েছে, সেই
খবরের সত্যতা কতটুকু তার খোঁজখবর নেওয়ার পরই সরকারের পক্ষ থেকে গনমাধ্যমে প্রকাশ
করা হবে। বিএনপি কোনোদিন বর্তমান সরকারের বিকল্প হতে পারে না – বর্তমান সরকার
ক্ষমতায় থাকাকালীন বিগত দিনগুলিতে দেশের যে উন্নয়ন হয়েছে তার সাথে বিএনপির
কুশাসনের তুলনার মধ্য দিয়েই বিষয়টি প্রমাণিত হয়ে গেছে। দেশের সচেতন জনগণ বিএনপিকে
কখনোই আওয়ামী লীগের বিকল্প হিসেবে ক্ষমতায় আনতে পারে না। কারণ বিএনপি যতদিন
ক্ষমতায় ছিল তারা কি করেছে, তা দেশের প্রতিটি মানুষই জানে।
বিএনপি-জামায়াতের আশ্রয়-প্রশ্রয়েই ৭১-এর খুনিরা এদেশে নতুন চেহারায় আবির্ভূত হয়েছিল। এই
চক্রান্তকারীদের চক্রান্ত শেষ হয়নি বলেই এখনও বাংলাদেশে জঙ্গিরা হানা দেয়। ওরা
পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়। চক্রান্তকারীরা এখনো তৎপর রয়েছে। বিএনপি
তো ইস্যু তৈরির কারখানা।
তাদের কোনো ইতিবাচক রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। তারা
নানা অজুহাতে নানা সময় নানান অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশকে পেছনে ফেলার ষড়যন্ত্র করে
চলেছে।
বর্তমান সরকারের আমলে যেন তিস্তা চুক্তি না হয়,
সেটা ছিল বিএনপির অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এই
উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে
মোদির হস্তক্ষেপ কামনাই শুধু নয়, তার সফরের
সময় ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের বিরুদ্ধে একগাদা অভিযোগের ফর্দ পাঠ করে শুনিয়েই ক্ষান্ত
হননি, তা মোদির হাতেও তুলে দিয়েছিল। ক্ষমতাসীন
সরকারকে সহযোগিতা না করার মতো বাক্য উচ্চারণ করেও তারা থামেনি। দেশবাসী
তাদের এই ক্রিয়াকলাপকে স্বাভাবিকভাবে নিয়েছে, তা কিন্তু নয়। ক্ষমতার লোভে মিথ্যাকে সত্যে
রূপান্তর করার ক্ষেত্রে তাদের পারদর্শীতা জাতিকে চমৎকৃত করতেই পারে,
কিন্তু বাস্তবে তা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর। তারা
যদি আয়নায় নিজ মুখ দেখতে পেতেন, তাহলে
বুঝতেন, কী ক্ষতিকর অবস্থানে তারা আছেন। কিন্তু
বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের সকল ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে দেশকে
সামনের দিকে নিয়ে যেতে বদ্ধ পরিকর। তাই তারা চাইলেই কী ষড়যন্ত্রের চোরাগলি দিয়ে ক্ষমতায় আসতে
পারবে?


 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None