দুবাইয়ে জিয়া পরিবারের হাজার কোটি টাকার সম্পদ

দুবাইয়ে জিয়া পরিবারের হাজার কোটি টাকার সম্পদ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সবচেয়ে বেশি বিদেশি
বিনিয়োগকারীদের তালিকায় নাম উঠে এসেছে জিয়া পরিবারের। জিয়া পরিবারের সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) মোট প্রাক্কলিত সম্পদের পরিমাণ ১২০ কোটি দিরহাম (১ দিরহাম
= ২৩ টাকা মাত্র)। বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য দুই হাজার
৮৩২ কোটি টাকা। অর্থনৈতিক
বিভাগের তথ্য ভাণ্ডার
‘ফরেন ইনভেস্টারস ক্রাট ইউএই’তে এই তথ্য পাওয়া
গেছে। সংযুক্ত
আরব আমিরাতের দুবাইতেই জিয়া পরিবারের সব সম্পদ। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, মুহাম্মদ বিন রশীদ
সিটি দুবাইতে বিলাসবহুল সোবাহ হার্টল্যান্ডে বেগম জিয়ার ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর
দুই বিলাসবহুল বাড়ি আছে। দুবাই ওয়াটার ক্যানেলে কাছে এই বাংলো
বাড়ির প্রতিটির মূল্য পাঁচ কোটি দিরহাম করে, অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রতিটি বাংলো বাড়ির
দাম ১১৫ কোটি টাকা। গত ২১ জুলাই কোকোর স্ত্রী বাংলো দুটি
তাঁর নামে লিখে দেওয়ার আবেদন করেন। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী
এরকম হস্তান্তরের জন্য জীবিত শরিকদের অনাপত্তিপত্রের প্রয়োজন হয়। এছাড়াও কোকোর নামে বে স্কয়ারে আট হাজার
স্কয়ার ফিটের একটি বাণিজ্যিক স্পেস আছে। বেগম জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের
মেয়ে জাইমা রহমানের নামে রিগ্যাল টাওয়ারে একটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে। এর মূল্য ৭ কোটি দিরহাম, এই সম্পত্তিটি ২০০৪
সালে কেনা। ২০০৬
সালে এটি নাইমা রহমানের নামে রেজিস্ট্রি হয়। নাইমার নামে আরবেলায় একটি বিলাসবহুল
অ্যাপার্টমেন্ট আছে। বেগম জিয়ার ভাই প্রয়াত সাঈদ ইস্কান্দারের নামে দুবাইতে দুটি
অ্যাপর্টমেন্ট আছে। এগুলো
এখন তাঁর স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে দুবাই মেরিনাতে একটি এবং
দুবাই ট্রেড সেন্টারে একটি। বেগম জিয়ার আরেক ভাই শামীম ইস্কান্দারের
নামে দুবাইতে আছে একটি অ্যাপার্টমেন্ট। সিলিকন ওয়েসিসের পাঁচ হাজার স্কয়ার
ফিট অ্যাপার্টমেন্টের বর্তমান বাজার মূল্য সাত কোটি দিরহাম। এছাড়াও বেগম জিয়ার বড় বোন খুরশীদ জাহান
হক চকলেটেরে নামে এমিরেটস হিলস-এ একটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে, যার মালিকানা
সম্প্রতি তাঁর মেয়ে হাসিনা জাহানের নামে হস্তান্তর হয়েছে। হাসিনা জাহান, বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন
আহমেদের স্ত্রী। বেগম জিয়ার পরিবারের সব সম্পত্তি কেনা হয়েছে ১৯৯২ থেকে ২০০৬
সাল পর্যন্ত সময়কালে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রতিটি সম্পত্তির দলিলেই একজন অভিভাবক হিসেবে
নাম রয়েছে বেগম খালেদা জিয়ার। যিনি এসব সম্পত্তির বিরোধ নিষ্পত্তিকারী
হিসেবে বিবেচিত হবেন। তাহলে প্রতিটি সম্পত্তির মূল হোতাই হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়া।


 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None