মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের কারওয়ান বাজার অংশ চালু

 

 


মগবাজার-মৌচাক সমন্বিত ফ্লাইওভার প্রকল্পের এফডিসি মোড় থেকে কারওয়ান
বাজারের অংশ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। উদ্বোধনের পরই এই অংশে যানবাহন
চলাচল শুরু করে। মগবাজার-মালিবাগ ফ্লাইওভারের যে অংশের কাজ বাকি আছে তা জুনের
মধ্যেই শেষ হবে। এর মধ্য দিয়ে এই এলাকার যানজট নিরসন হবে। ধাপে ধাপে ব্যয় ও সময়
বাড়ানো মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার মেগা প্রকল্পের বাকি অংশের নির্মাণ কাজ শেষ হবে
আগামী জুনে। এরপর আর একদিন সময়ও বৃদ্ধি করা হবে না। বেঁধে দেয়া সময়ের আগেই এ
প্রকল্পের কার্যক্রম শেষ করতে দৃড় প্রতিজ্ঞ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর।  ২০১১ সালের ৮ মার্চ একনেক এই প্রকল্প অনুমোদন
করে। প্রথমে প্রকল্পের আকার ছিল ৭৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ১৯
জানুয়ারি একনেক সভায় প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি করে ১ হাজার ২১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকায়
উত্তীর্ণ করা হয়। ধাপে ধাপে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় বাড়িয়ে চলতি বছরের জুন
পর্যন্ত করা হয়েছে। তিনটি উৎস থেকে এই প্রকল্পে অর্থায়ন করা হয়েছে, এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করেছে ৪৪২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ৭৭৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা
অর্থায়ন করছে সউদী ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর
ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ওএফআইডি)।  ১৬
ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ফ্লাইওভার প্রকল্পের নির্মাণ
কাজের উদ্বোধন করেন। এই ফ্লাইওভার প্রকল্পটি ঢাকা শহরের স্ট্রাটেজিক ট্রান্সপোর্ট
প্ল্যানের (এসটিপি) অন্তর্ভুক্ত। 
মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার প্রকল্প তিনটি প্যাকেজে ভাগ করে বাস্তবায়ন করা
হচ্ছে। প্যাকেজগুলো হল- ডব্লিউ-৪, ৫ ও ৬। তেজগাঁও সাতরাস্তা
থেকে সোনারগাঁও লেভেল ক্রসিং হয়ে মগবাজার হলি ফ্যামিলি পর্যন্ত অংশ
প্যাকেজ-ডব্লিউ-৪, শান্তিনগর থেকে মালিবাগ, রাজারবাগ, মৌচাক হয়ে রামপুরা পর্যন্ত অংশ প্যাকেজ-৫
এবং বাংলামোটর থেকে মগবাজার হয়ে মৌচাক পর্যন্ত অংশ প্যাকেজ-৬। আর এই ফ্লাইওভার
প্রকল্পের আওতায় ৩টি রেল ক্রসিং-সোনারগাঁও, মগবাজার ও মালিবাগ
এবং ৮টি মোড়-সাতরাস্তা, এফডিসি, মগবাজার,
ওয়ারলেস গেইট, মৌচাক, মালিবাগ,
রামপুরা ও শান্তিনগর অতিক্রম করেছে। পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এ
সকল পয়েন্টের যানজট নিরসনের ফলে ওই এলাকা দিয়ে চলাচলকারীরা ভাল সুবিধা পাবেন।


 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None