মানুষের মর্যাদার প্রকৃত মাপকাঠি কী?

 কেউ বলে ধনসম্পদ, কেউ বলে  বড় কোনো পদ, আবার কেউ বলে বাহ্যিক আকার-আকৃতি
বা উত্তম হৃদয়, কিন্তু মানুষের মর্যাদার প্রকৃত মাপকাঠি কী? মানুষের দৃষ্টিকোণকে পরিশুদ্ধ করে কুরআন ও হাদীস এক্ষেত্রে
কি মানদণ্ড নির্ধারণ করেছেন?

মানুষের মধ্যে কোন্ গুণ থাকলে সে মর্যাদা
লাভ করবে আর কোন্ গুণের মর্যাদা হারাবে এ ব্যাপারে আমরা একেক রকম ধারণা পোষণ করি। কেউ
মনে করি,
অঢেল সম্পদের মালিক হলে কিংবা প্রভাব প্রতিপত্তিশীল হলে মানুষ
সম্মান পাওয়ার উপযুক্ত হয়। আবার কেউ মনে করি, বড় কোনো পদের অধিকারী হলেই কেবল সম্মানের উপযুক্ত হওয়া যায়।

কিন্তু সম্মানের এ মাপকাঠি আমরা নিজেরা
তৈরি করে নিয়েছি। অথচ আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনে
সম্মানের যে মাপকাঠি বর্ণনা করেছেন এবং রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
সম্মানের যে মানদণ্ড নির্ধারণ করেছেন তা আমাদের এ মাপকাঠি থেকে ভিন্ন।

 আল্লাহ তা‘আলা এবং তাঁর রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকওয়া এবং ধর্মনিষ্ঠাকে সম্মানের মাপকাঠি হিসেবে নির্ধারণ
করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: ‘নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে আল্লাহর
নিকট সেই সবচে’ বেশি সম্মানিত যে তোমাদের
মধ্যে অধিক তাকওয়াধারী’ (সূরা আল হুজুরাত: ১৩)।

রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম বলেন: ‘ আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের আকার-আকৃতি ও ধনসম্পদ দেখেন না। তিনি তোমাদের মনের অবস্থা ও আমল দেখেন’ (মুসলিম)। এ হাদীস
থেকে বুঝা যায় যে, বাহ্যিক আকার-আকৃতি
ও ধনসম্পদ উত্তম মানুষের আলমত নয়, বরং উত্তম মানুষের
আলামত হলো উত্তম হৃদয় ও উত্তম আমলের অধিকারী হওয়া।

 ইবরাহীম আ. এর ধনসম্পদের প্রাচুর্য
ছিল না। তিনি কোনো রাজা-বাদশাহও ছিলেন না। তবে তাঁর ছিল আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠতা এবং
তাওহীদের মহা প্রাচুর্য, যার কারণে তাঁকে একাই একটি জাতি বলে আল কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: ‘ইবরাহীম ছিলেন আল্লাহ তা‘আলার অনুগত একনিষ্ঠ উম্মত।
তিনি মুশরিক ছিলেন না’ (সূরা আন-নাহল:১২০)। এখানে আল্লাহ তা‘আলা ইবরাহীম আ. এর প্রশংসা
করতে গিয়ে ধন-সম্পদের কথা বলেননি বরং তার সম্মানের কারণ হিসেবে ঈমান ও আল্লাহর আনুগত্যের
কথা বলেছেন। মানুষের মর্যাদার প্রকৃত মাপকাঠি কী? প্রবন্ধটি বিস্তারিত পড়ার জন্য: ••►  bn.islamkingdom.com/s2/46651

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)
প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে বিশেষত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জ্যেষ্ঠতার (seniority) তালিকা থাকে। সাধারণত যোগদানের সময় এবং বয়স বিবেচনায় সিনিয়রিটি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এই সিনিয়রিটি নির্ধারণ নিয়ে কোন মতভেদ ঘটলে তা নিয়ে সিনিয়রিটির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে হুলস্থুল ও তুলকালাম কাণ্ড হয়ে থাকে। অথচ আল্লাহর দরবারে আমাদের সিনিয়রিটির ক্রম কত নাম্বারে আছে, আল্লাহর নথিভুক্ত সিনিয়রিটি তালিকায় আমার অবস্থান কোথায়, তা নিয়ে আমাদের কোন মাথাব্যথা নেই।

আপনার কথা সত্য। শোকরিয়া

আপনার পোস্টের ব্যাপারে ছোট্ট একটি পরামর্শ আছে। Input Format এর মধ্যে দ্বিতীয় অপশনটি (Full HTML) চয়েস করুন, তাতে লেখাটি সুষম ও সুদৃশ্য হবে।

শোকরিয়া

শোকরিয়া

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু! সময়ুপযুগী লেখা।

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

ওয়ালাইকুমুসসালাম, উৎসাহ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)