আমার দেখা মাজারের কিছু খারাপ ও ভালো দিক

আমার নিজের দেখা দৃষ্টি কোন থেকে মাজারের যেমনি কিছু খারাপ দিক আছে তেমনি কিছু ভালো দিক ও আছে। কিছু কিছু ভন্ড মুনাফেক আছে যারা মাজারের নামে ব্যবসা করে যা মাজারের পরিবেশ কিংবা সুনাম ক্ষুন্ন হয়। আর কিছু অশিক্ষিত ব্যক্তি মাজারের আশেপাশে বসে মদ গাঁজা সেবন করে যা মাজারের পরিবেশ নষ্ট হয়। যেহেতু আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সিদ্ধা করা হারাম তাই মাজারে সিদ্ধা করা হারাম। আরো হয়তো অনেক গুলো খারাপ দিক আছে । যাহোক আমি সেই সব দিকে যাচ্ছি না । যুগ যুগ দরে যেমনি অলি আল্লাহ আছে এবং তেমনি ভবিষ্যতে ও থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। অলিরা আল্লাহ কাছে কিছু চাইলে খুব তাড়াতাড়ি পায় আমরা হয়তো চাইতে জানি না অথবা ধৈর্য ধরে চাইতেও পারিনা সেজন্য আমাদের পাওয়াটা হয় না খুব তাড়াতাড়ি। এই জন্য হয়তো আমরা মাজারের কিংবা অলি বুজুগো ব্যক্তিদের কাছে ছুটে যায়। মাজারের পাশে দাঁড়িয়ে অলি দরে আত্মার মাগফেরাত কামনা করা এবং মাজারে কিছু টাকা পয়সা দান করা আমি দোষের কিছু দেখি না। প্রশ্ন থাকতে পারে টাকা পয়সা অলিরা খাবে না তাহলে টাকা পয়সা কেন? অলিরা সারাজীবন শুধু মানুষের উপকার করে গিয়েছেন এবং মৃত্যুর পরও মানুষের উপকার করে যাচ্ছেন। দেখেন তাহলে, কোন লোক খুব বিপদে পড়লে বিপদ থেকে উদ্ধার হওয়ার জন্য অলির মাজারে মানত করে বলে হে আল্লাহর অলি তোমার উছিলায় আমাকে বিপদ থেকে মুক্ত করলে তোমার মাজারে একটা গরু কিংবা মহিষ দিবো। হয়তো ঔ ব্যক্তিটি বিপদ থেকে মুক্তি পেয়ে মাজারে গরু কিংবা মহিষ নিয়ে আসে। দেখেন এই গরু কিংবা মহিষ দিয়ে কি হয়? যারা সমাজের কিংবা রাষ্ট্রে অবহেলিত মানুষ ভালো খাবার তো দূরের কথা দুবেলা ভাত যাদের কপালে জুটেনা সেই সকল মানুষ গুলো একবেলা পেট ভরে খেয়ে অনেক খুশি হয়। মাজারের আশেপাশে থেকে অলির উছিলায় তাদের খাবারের ব্যবস্থা হয়ে যায়। খারাপ কাজ ছেড়ে ভালো কাজে উৎসাহ পাই তাহলে মাজার যে খুব একটা খারাপ কাজ এই আমি বিশ্বাস করি না। আমরা যদি মানবতার কথা চিন্তা করি তাহলে আমরা মাজার কে খারাপ বলতে পারি না । আমি বিশ্বাস করি মাজারের কিছু কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তি আছে যারা নিজেদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে অতিরঞ্জিত কিছু কাজ করে পেলে যা হয়তো অনেকের কাছে ভালো লাগে না এবং ভালো লাগার ও কথা নয় । এখন প্রশ্ন থাকতে পারে আমরা মাজারে গরু, ছাগল না দিয়ে গরিব দুঃখি মানুষের মাঝে বিলি করে দিয়ে তো আল্লাহ কে খুশি করাতে পারি। হয়তো কথাটা ঠিক আছে কিন্তু আমার কি এই কাজটা করছি।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (টি রেটিং)

মাজারে কোনো ভালো কাজ হয়নারে ভাই,সবগুলো মাজারই ভণ্ড শেরেকীদের আখরা।

-

^
"দ্রুত চলে রাস্তায় থেমে যাওয়ার চেয়ে ধীরে চলে গন্তব্যে পৌঁছা শ্রেয়।" -শেখ সাদী

হতো ঠিক আছে কিন্তু ভালো খারাপ নিয়ে তো পৃথিবী।

আল্লাহর কাছে মানত করার বিধান ইসলামে রয়েছে এবং মানতের অর্থ বা খাদ্য কেবল গরীব-দু:খীদেরই প্রাপ্য। কিন্তু মাজারে গিয়ে এমনটি করার কোন হুকুম বা অনুমতি কোরআন-হাদীসে উল্লেখ নেই। আর গরীব-দু:খীর খোঁজে মাজারের কাছে যেতে হবে কেন? আর মানতটাই বা আল্লাহর নামে না করে অলির নামে করতে হবে কেন?
যদিও সব মাজারে সব মানতকারী বা প্রার্থনাকারী অলির নামে মানত বা অলির কাছে প্রার্থনা করে না, বরং অলির উছিলা দিয়ে আল্লাহর কাছেই করে, কিন্তু তারপরও এটা নিয়ে ভুল বুঝাবুঝির অবকাশ আছে এবং তাদের দেখাদেখি অন্যরা অলির কাছেই প্রার্থনা করে বসতে পারে। নূহ (আ.)-এর যুগে মূর্তিপূজা উৎপত্তির ইতিহাসে দেখা যায়, প্রথমে তারা শয়তানের পরামর্শে বুযুর্গ ব্যক্তিদের প্রতিমূর্তি সৎ উদ্দেশ্যেই মসজিদে স্থাপন করেছিলেন, যাতে তাদের অনুকরণে অনুপ্রাণিত হয়ে অধিক এবাদত করা যায়। কিন্তু কয়েক প্রজন্ম পরে তাদের বংশধরগণ ভাবতে শুরু করল, মসজিদে স্থাপিত মূর্তিগুলোকেই বুঝি পূজা করতে হবে।
তদুপরি মাজারপন্থীদের আকীদা-বিশ্বাসও বেখাপ্পা ও বেতাল ধরনের। তারা রসূল (সা.)-কেই আল্লাহ মনে করে।
মাজারের উসিলায় গরীব-দু:খীদের আহারের ব্যবস্থা হয় বলেই যে এটা জায়েয বা পুণ্য কাজ হবে, এমন কোন কথা নেই। অনেক সময় গরীব মানুষকে সাহায্য করবার জন্য সুন্দরী প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়, কিন্তু তাতে তো সুন্দরী প্রতিযোগিতা জায়েয হয়ে যায় না।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (টি রেটিং)